পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম: আবারও কক্সবাজারের টেকনাফ সীমান্তের ওপারে মিয়ানমারে ব্যাপক গোলাগুলি ও মর্টার শেলের বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার রাতে টেকনাফের নাফ নদীর তীরে সীমান্তবর্তী ২১টি গ্রাম থেকে বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। বিস্ফোরণে কেঁপে কেঁপে উঠেছে গ্রামের বাড়িঘর। এতে সীমান্তের মানুষের আতঙ্ক আরও বেড়েছে।
সীমান্তবর্তী একাধিক সূত্র জানায়, রাখাইন রাজ্যের জেলা শহর মংডু টাউনশিপসহ উত্তর দিকের কুমিরখালী, বলিবাজার, নাকফুরা, নাইচাডং, কোয়াচিডং, কেয়ারিপ্রাং, পেরাংপ্রুসহ কয়েকটি গ্রামে দেশটির সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির (এএ) সঙ্গে সরকারি বাহিনীর সংঘাত তীব্রতর হয়েছে। মূলত আরাকান আর্মির দখলে চলে যাওয়া সীমান্তচৌকি পুনর্দখলে পালটা আক্রমণ চালাচ্ছে সে দেশের সেনাবাহিনী। এ অবস্থায় সেখানকার রোহিঙ্গা বসতিগুলোতেও যুদ্ধের আঁচ পড়েছে। এমন পরিস্থিতিতে কোনো রোহিঙ্গা যাতে সীমান্ত অতিক্রম করে বাংলাদেশে প্রবেশ করতে না পারে, সে জন্য বিজিবি সতর্ক রয়েছে। টেকনাফ পৌরসভার প্যানেল মেয়র মুজিবুর রহমান বলেন, বিকট শব্দে বোমা ও মর্টার শেলের বিস্ফোরণে কাঁপছে পৌরসভার জালিয়াপাড়া, চৌধুরীপাড়া, কুলালপাড়া ও ডেইলপাড়া।
টেকনাফ ২ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, রাখাইন পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে। রোহিঙ্গা অনুপ্রবেশ ঠেকাতে নাফ নদী ও সীমান্তে বিজিবির টহল বাড়ানো হয়েছে।
এদিকে মিয়ানমার থেকে পালিয়ে এসে বাংলাদেশে অনুপ্রবেশের সময় বাধা দেওয়ায় অনুপ্রবেশকারীর ছোড়া গ্রেনেডে আহত সেই যুবকের মৃত্যু হয়েছে। ঘটনার এক মাস পর বৃহস্পতিবার মধ্যরাতে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যান যুবক আনোয়ার সালাম মোবারক। তিসি উখিয়া উপজেলার পালংখালী ইউনিয়নের দক্ষিণ রহমতের বিল এলাকার আবদুস সালামের ছেলে।


