বরিশালে মাস্ক না পরায় ৬৮ জনকে জরিমানা

বরিশালে মাস্ক না পরায় ৬৮ জনকে জরিমানা

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বব্যাপী মহামারী আকারে ছড়িয়ে পড়া করোনাভাইরাস উদ্ভূত পরিস্থিতিতে মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক করতে ও সচেতনতা বাড়াতে বরিশাল নগরীর বিভিন্ন স্থানে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করা হয়েছে। এ সময় মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়ায় ৬২ জনকে ১১ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা জরিমানা করা হয়।

মঙ্গলবার (২৪ নভম্বের) সকাল থেকে দুপুর পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের তিনজন নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে পৃথক তিনটি দলে বিভক্ত হয়ে এ অভিযান চালানো হয়।

পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহারে জনসাধারণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন দোকানে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ লেখা ব্যানার ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

অভিযানে নেতৃত্ব দেন জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো.আলী সুজা, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতাউর রাব্বি। তাদের সহায়তা করে মেট্রোপলিটন পুলিশের তিনটি দল।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট শরীফ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, মঙ্গলবার (২৪ নভেম্বর) সকাল ১০টা থেকে দুপুর ২টা পর্যন্ত নগরীর সদর রোডের কাকলীর মোড়, বিবির পুকুর পাড়, টাউনহল, গির্জা মহল্লা, ফলপট্টি, চকবাজার, বিএম কলেজ রোড, হাসপতাল রোড, নতুনবাজার বান্দ রোড, রূপাতলী, নথুল্লাবাদ ও কাশীপুরসহ বিভিন্ন স্থানে ভ্রাম্যমাণ আদালত অভিযান চালান।

এ সময় মাস্ক না পরে বাইরে বের হওয়ায় ৬২ জনকে ১১ হাজার ২০০ টাকা জরিমানা করা হয়। পাশাপাশি মাস্ক ব্যবহারে জনসাধারণকে সচেতন ও উদ্বুদ্ধ করতে বিভিন্ন দোকানে ‘নো মাস্ক নো সার্ভিস’ লেখা ব্যানার ও বিনামূল্যে মাস্ক বিতরণ করা হয়।

শরীফ মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে নিয়মিত নগরীর বিভিন্ন জনবহুল এলাকায় চলাচলকারীদের মাস্ক পরা নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে অভিযান চালানো হচ্ছে। এখন মাস্ক পরার প্রবণতা বেড়েছে। মূল সড়কগুলোতে মাস্ক পরা মানুষের সংখ্যা বেশি। তবে অলিগলিতে তা কম। যারা না পরছেন তাদের ১০০ থেকে ২০০ টাকা জরিমানা করা হয় এবং একটি মাস্ক দেয়া হয়। যাদের মুখে মাস্ক থাকে তাদের ধন্যবাদ দেয়া হয়। জনস্বার্থে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে।

এদিকে, বরিশালের আগৈলঝাড়া উপজেলায় মানুষকে মাস্ক পরার জন্য বাধ্য করতে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে ছয়জনকে এক হাজার ৪০০ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।

ভ্রাম্যমাণ আদালতের বিচারক ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবুল হাশেম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

/এএ

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *