নিজস্ব প্রতিবেদক : চীনা বিনিয়োগকারীদের বাংলাদেশের ইপিজেডসমূহে আরো বিনিয়োগের আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ রফতানি প্রক্রিয়াকরণ এলাকা কর্তৃপক্ষের (বেপজা) নির্বাহী চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল মুহম্মদ হাবিবুর রহমান খান। ঢাকায় বেপজা নির্বাহী দফতরে চায়না চেম্বার অফ কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রি ফর ইমপোর্ট অ্যান্ড এক্সপোর্ট অফ লাইট ইন্ডাস্ট্রিয়াল প্রোডাক্টস্ অ্যান্ড আর্টস-ক্র্যাফটস্ এর ২০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দলের সঙ্গে আলোচনায় তিনি এই আবেদন জানান। চীনের সবচেয়ে বড় জাতীয় হালকা শিল্প সংস্থার ভাইস প্রেসিডেন্টের নেতৃত্বে প্রতিনিধিদলটি বৃহস্পতিবার বেপজা কমপ্লেক্সে সভা করেন। এসময় তারা বাংলাদেশের ইপিজেডসমূহে বিনিয়োগের আগ্রহ ব্যক্ত করেন। বেপজার নির্বাহী চেয়ারম্যান বলেন,বাংলাদেশের ইপিজেডসমূহ বিনিয়োগের আদর্শ স্থান। কিন্তু জমির স্বল্পতার কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রাম অঞ্চলে অবস্থিত ইপিজেডসমূহে বড় আকারের বিনিয়োগের সুযোগ প্রদান সম্ভব নয়।
তিনি প্রতিনিধি দলকে উত্তরা, মংলা ও ঈশ্বরদী ইপিজেডে বিনিয়োগ সুবিধা গ্রহণের আহবান জানান। তিনি বলেন, ইপিজেডসমূহ অলংকার, ক্যাম্পিং পণ্য, ব্যাগ, লাগেজ, উইগ, স্টেশনারি সামগ্রী প্রভৃতি হালকা ও চারু-কারু শিল্প স্থাপনের আদর্শ স্থান। তিনি প্রতিনিধি দলকে অবহিত করে বলেন, বর্তমানে ৯৪টি চীনা প্রতিষ্ঠান ইপিজেডে কার্যক্রম পরিচালনা করছে এবং প্রায় ৮১৬ মিলিয়ন মার্কিন ডলার বিনিয়োগ করেছে যেখানে এক লাখ ১০ হাজারের বেশি শ্রমিক কর্মরত। এর পূর্বে, মহাব্যবস্থাপক (বিনিয়োগ উন্নয়ন) মো. আহসান কবির পাওয়ারপয়েন্ট প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে বেপজার সামগ্রিক বিষয় তুলে ধরেন।
তিনি বলেন, ইপিজেডের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে শান্তিপূর্ণ বিনিয়োগ পরিবেশ যার সাফল্যের মূলে রয়েছে বিরাজমান বাধাহীন উৎপাদনমূখী কর্মপরিবেশ ও শ্রমিক মালিকের মধ্যে বিদ্যমান সু-সম্পর্ক। তিনি বেপজা প্রদত্ত সুবিধাদি ও প্রণোদনাসমূহ সম্পর্কে তাদেরকে অবহিত করেন এবং বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন। প্রতিনিধি দলটি আগামীকাল ইপিজেডের বিনিয়োগ বান্ধব উৎপাদনমূখী পরিবেশ দেখার জন্য ঢাকা ইপিজেড পরিদর্শন করবে।


