বাইতুল মুকাদ্দাসের গ্র্যান্ড ইমাম বাংলাদেশে অাসছেন আজ

বাইতুল মুকাদ্দাসের গ্র্যান্ড ইমাম বাংলাদেশে অাসছেন আজ

পাথেয় রিপোর্ট : মসজিদ আল-আকসা বা বাইতুল মুকাদ্দাসের গ্র্যান্ড ইমাম শেখ মুহাম্মদ আহমেদ হোসেন বাংলাদেশে আসছেন শুক্রবার(২১ ডিসেম্বর)। আন্তর্জাতিক কিরাত সম্মেলনে অংশ নিতে ঢাকায় আসছেন তিনি।

রাশিয়াভিত্তিক সংগঠন ইউনাইটেড মুসলিম উম্মাহ ফাউন্ডেশন ও ঢাকার ফিলিস্তিন দূতাবাসের আমন্ত্রণে তার এই সফর। সফরকালে তিনি এক আন্তর্জাতিক সেমিনারে অংশ নেবেন। সেমিনারের আয়োজক ইউনাইটেড মুসলিম উম্মাহ ফাউন্ডেশনের মহাসচিব ড. কাজী এরতেজা হাসান জানান, গ্র্যান্ড মুফতির প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গেও সাক্ষাতের কথা রয়েছে। এ ছাড়া তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্মৃতিবিজড়িত ধানমন্ডির ৩২ নম্বরে বঙ্গবন্ধু জাদুঘরে এবং টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধুর সমাধিতে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যাবেন।

গ্র্যান্ড মুফতি শেখ মুহাম্মদ আহমেদ হোসেনের বাংলাদেশ সফরের মধ্য দিয়ে নতুন ইতিহাস তৈরি হবে। তার মতো বুজুর্গ ব্যক্তির আগমনে ইসলামপ্রিয় দেশ হিসেবে বিশ্বে বাংলাদেশের মর্যাদা সমুন্নত হবে। বাংলাদেশ ও ফিলিস্তিনের মধ্যে নতুন করে সেতুবন্ধুন তৈরি হবে।

মসজিদুল আকসা (আরবি: المسجد الاقصى‎‎) (আল-আকসা মসজিদ বা বাইতুল মুকাদ্দাস নামেও পরিচিত) ইসলামের তৃতীয় পবিত্রতম মসজিদ। জেরুজালেমের পুরনো শহরে এটি অবস্থিত। এটির সাথে একই প্রাঙ্গণে কুব্বাত আস সাখরা, কুব্বাত আস সিলসিলা ও কুব্বাত আন নবী নামক স্থাপনাগুলো অবস্থিত। স্থাপনাগুলো সহ এই পুরো স্থানটিকে হারাম আল শরিফ বলা হয়। এছাড়াও স্থানটি “টেম্পল মাউন্ট” বলে পরিচত এবং ইহুদি ধর্মে পবিত্র বলে বিবেচিত হয়। ইসলামের বর্ণনা অণুযায়ী মুহাম্মদ (সা) মিরাজের রাতে মসজিদুল হারাম থেকে আল-আকসা মসজিদে এসেছিলেন এবং এখান থেকে তিনি ঊর্ধ্বাকাশের দিকে যাত্রা করেন।

বায়তুল মুকাদ্দাস হচ্ছে ইসলামের প্রথম কিবলা এবং মক্কা-মুআয্যামাহ ও মদিনা মুনাওয়ারার পরে তৃতীয় পবিত্র স্থান। হজরত রসুলে করিম (সা.) মক্কার মসজিদুল হারাম, মদিনার মসজিদুন্নবী ও বায়তুল মুকাদ্দাস মসজিদের উদ্দেশে সফরকে বিশেষভাবে সওয়াবের কাজ হিসেবে উল্লেখ করেছেন যা অন্য কোনো মসজিদ সম্পর্কে করেননি। হিজরতের পর বায়তুল মুকাদ্দাসই ছিল ইসলামের প্রথম কিবলা। এ পবিত্র ঘর থেকেই মহানবী হজরত মুহাম্মদ (সা.) মিরাজে গিয়েছিলেন। এখানে রয়েছে অসংখ্য নবী-রসুলের মাজার। ওহি ও ইসলামের এ নগরী নবীগণের দ্বীন প্রচারের কেন্দ্রভূমি। তাই এ পবিত্র নগরীর প্রতি ভালোবাসা প্রতিটি মুমিনের হৃদয়ের গভীরে প্রোথিত। হজরত ইবরাহীম (আ.) কাবাঘর নির্মাণের ৪০ বছর পর হজরত ইয়াকুব (আ.) জেরুজালেমে আল-আকসা মসজিদ নির্মাণ করেন। পরে, হজরত সুলায়মান (আ.) এই পবিত্র মসজিদের পুনঃনির্মাণ করেন।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *