পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনার কারণে মন্দা অর্থনীতির গতি ফেরাতে আগামী বাজেটে অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ রাখা হতে পারে। আর এ সুযোগকে কাজে লাগিয়ে ব্যবসা চাঙ্গা করতে চান ব্যবসায়ীরা। তবে অর্থনীতিবিদরা বলছেন, গেল কয়েক বছর ধরে বাজেটে অপ্রদর্শিত আয় বৈধ করার সুযোগ রাখা হলেও তার সুফল পাওয়া যায়নি। তাই বাজেটে এ সুযোগ না রাখার পক্ষে মত তাদের।
দেশের শিল্পের প্রসার, বিনিয়োগ বৃদ্ধি ও অর্থ পাচার রোধে ১৯৭৫ সালে প্রথম কালো টাকা সাদা করার সুযোগ দেয় সরকার। তবে বেশির ভাগ সময়েই নানা শর্তের কারণে অবৈধ টাকার মালিকরা তাতে সাড়া দেননি। অপ্রদর্শিত অর্থ বৈধ করার সুযোগ পেলেও আবাসন খাত, অর্থনৈতিক অঞ্চল ও হাইটেক পার্কগুলোতে বিনিয়োগ বাড়েনি। বন্ধ হয়নি অর্থপাচার, বাড়েনি শিল্পের বিনিয়োগ।
২০০৯ থেকে ২০১৩ সাল পর্যন্ত বৈধ হয় এক হাজার ৮০৫ কোটি টাকা। আর ২০১৪ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত বৈধ হয় ৮৫৬ কোটি টাকা। বিনিয়োগ বাড়াতে বিনা প্রশ্নে অর্থ সাদা করার সুযোগ চান ব্যবসায়ীরা।
অপ্রদর্শিত অর্থ বিনিয়োগের সুযোগ দেয়ার পক্ষে মত দিলেও অর্থপাচার রোধে সরকারকে কঠোর হওয়ার আহ্বান জানান রাজস্ব বোর্ডের সাবেক চেয়ারম্যান মোশাররফ হোসেন ভূঁইয়া ।
অবৈধ টাকার বৈধতা দেয়ার কোন যুক্তি নেই বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা। তাদের মতে অনৈতিক এ সুবিধা অতীতেও কোনো কাজে আসেনি ভবিষ্যতেও আসবে না।
দেশে এ পর্যন্ত কালো টাকা বৈধ হয়েছে প্রায় ১৪ হাজার কোটি টাকা। এর মধ্যে সাড়ে ৯ হাজার কোটি টাকাই সাদা হয় ২০০৭ ও ২০০৮ সালের তত্ত্বাবধায়ক সরকারের আমলে।
/এএ


