মুহাম্মদ দেলাওয়ার হোসাইন সাকী : ভারতের বিজিপি সরকারের মদদে সন্ত্রাসী শিবসেনাদের হামলায় ঐতিহাসিক বাবরি মসজিদের বেদনাদায়ক ইতিহাস আমাদের জানা। শুকরিয়া মহান আল্লাহর, একটি মসজিদ হারিয়ে হাজার হাজার উগ্রহিন্দুকে মুসলিম ভাই হিসেবে পেয়েছি। বাবরি মসজিদে হামলাকারীদের অনেকেই ইসলামের ছায়াতলে আজ আশ্রয় নিয়েছেন। আজ ভারতের সুপ্রিম কোর্টের ন্যাক্কারজনক ভুমিকার কারণে বাকী হিন্দুরাও সুপথে আসবে আশা করি।
ইসলাম মহান আল্লাহর মনোনীত দীন। মুসলমানদের ঈমানও মেহদি পাতার মতো। তাই মুসলমানের উপর যতবেশি নির্যাতন জুলুম আসবে তত ঈমানি তেজ বেশি পোক্ত হবে। মেহদি পাতাও যতবেশি পিষবেন তত রং ছড়াবে। তাই আদালতের রায়ে আমি আশান্বিত। মহান আল্লাহ মেহদী আ. -এর জন্য উপযুক্ত একটি ক্ষেত্র তৈরির জন্য এটা প্রস্তুতি যাত্রা। আসন্ন গাজওয়ায়ে হিন্দ। সময় আমাদের চেতনাশক্তিকে জাগিয়ে তুলার। এখন নিতে হবে প্রস্তুতি। কাশ্মীর ইস্যু, শ্রীরাম আগ্রাসন সবমিলিয়ে জিহাদ ফি সাবিলিল্লাহর পটভূমি তৈরি ভারত উপমহাদেশে ইসলামী জাগরণ অপ্রত্যাশিত। তাই আমি স্বপ্ন দেখতে শুরু করছি। আপনিও সমীকরণ মিলিয়ে নিতে পারেন। নিতে পারেন প্রাথমিক প্রস্তুতি।
ধর্মনিরপেক্ষতার ধ্বজাধারী সন্ত্রাসী রাষ্ট্র ভারত সরকারী পৃষ্ঠপোষকতায় রাম মন্দির উৎসের কাল্পনিক অজুহাত তুলে বিশ্বের প্রাচীনতম ঐতিহ্যগাথা বাবরী মসজিদ মাটির সাথে মিশিয়ে দিয়েছিল। সন্ত্রাসী এলকে আদভানীর নেতৃত্বে শিবসেনারা বিশ্ব জনমত উপেক্ষা করে সে দিন ১৫০ কোটি মুসলমানদের কলিজায় কামড় বসিয়েছিল। জাতিসংঘ, আরবলীগ, ওআইসি ছিল নিরব দর্শক। আজ মামলার একপেশে রায় হল। কাঁদছে বাবরি মসজিদের ইট-পাথর, বালিকণা। মহান আল্লাহর কাছে ফরিয়াদ করছে তাগুতের খপ্পর থেকে বেরিয়ে আসার ফরিয়াদ। বাবরি মসজিদ অপেক্ষা করছে একজন মুহাম্মদ বিন কাসিমের…!
লেখক : কেন্দ্রীয় সহকারী প্রচার সম্পাদক, ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ
মতামত একান্তই লেখকের, এর জন্য সম্পদক দায়ী নয়


