পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে গত ২৪ ঘণ্টায় যমুনা নদীতে পানি বেড়েছে ৪৬ সেন্টিমিটার। সিরাজগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১ দশমিক ৪১ মিটার ওপর দিয়ে পানি প্রবাহিত হচ্ছে। এর প্রভাবে জেলার চরাঞ্চল ও নদীর তীরবর্তী নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হচ্ছে, নদীতে দেখা দিয়েছে ভাঙন।
বিষয়টি নিশ্চিত করে সিরাজগঞ্জ পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী শফিকুল ইসলাম বলেন, বৃষ্টি ও ঢলের কারণে গত কয়েকদিন ধরে যমুনা নদীতে পানি বেড়েই চলেছে। এই ধারা অব্যাহত থাকলে বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে পানিপ্রবাহ।
এদিকে সিরাজগঞ্জ সদর, চৌহালী, শাহজাদপুর ও কাজিপুর উপজেলার পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নদীতে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এসব এলাকার কোথাও কোথাও নিম্নাঞ্চল প্লাবিত হয়েছে। এর ফলে ওই এলাকায় বন্যার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।
অব্যাহত ভারি বর্ষণ ও উজানের ঢলে মুহুরী, খোয়াই ও কংস নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ার খবর পাওয়া যায় গতকাল বৃহস্পতিবার। ৩ দিনের মধ্যে সিলেটের বিভিন্ন এলাকা এবং পার্বত্য চট্টগ্রামে বন্যার আশঙ্কার কথা জাননো হয়েছে।
বাংলাদেশ পানি উন্নয়ন বোর্ড জানায়, মুহুরীর পানি ফেনীর পরশুরাম পয়েন্টে বিপদসীমার ১১০ সেন্টিমিটার, খোয়াইয়ের পানি বাল্লা পয়েন্টে ৮০ সেন্টিমিটার এবং কংস নদীর পানি জারিয়াঞ্জাইল পয়েন্টে ২ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে বইছে।
সংস্থাটির বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের নদ-নদীর পরিস্থিতি ও পূর্বাভাসে বলা হয়েছে, ব্রহ্মপুত্র, যমুনা, পদ্মা এবং মেঘনা অববাহিকার প্রধান নদ-নদীগুলোর পানি দ্রুত বাড়ছে। এই ধারা অব্যাহত থাকতে পারে আগামী ৭২ ঘণ্টা।
এ ছাড়া তিস্তা, ধরলা, দুধকুমার এবং পার্বত্য অববাহিকার প্রধান নদীগুলোর পানিও বাড়ছে। এর ফলে কিছু এলাকায় আকস্মিক বন্যা দেখা দিতে পারে। তবে কমছে গঙ্গা নদীর পানি, যা পরবর্তী ২৪ ঘণ্টা অব্যাহত থাকতে পারে।


