বিভক্তি নয় ঐক্যের ডাক দিলেন জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিস
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দের অভিনন্দন
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ার পর প্রথমবারের মতো জাতির উদ্দেশে বিজয়ী ভাষণে বক্তব্য রাখলেন ডেমোক্র্যাট নেতা জো বাইডেন ও ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। ভাষণ থেকে আসে ঐক্যর ডাক। ডেলাওয়্যার অঙ্গরাজ্যের উইলমিংটনের স্থানীয় সময় শনিবার রাতে নবনির্বাচিত প্রেসিডেন্ট বাইডেনের ভাষণ শুনতে জড়ো হন লাখো মানুষ। বিজয়ী ভাষণে বাইডেন আমেরিকার জনগণকে ধন্যবাদ দিয়ে বলেন, ‘আমেরিকার মানুষ জবাব দিয়েছে। তারা আমাদের পরিষ্কার বিজয় এনে দিয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ইতিহাসে সবচেয়ে বেশি (৭ কোটি ৪০ লাখ) ভোট পেয়ে আমরা জয়ী হয়েছি।’
তিনি বলেন, ‘আজ রাতে, পুরো বিশ্ব আমেরিকাকে দেখছে। আমি বিশ্বাস করি আমাদের শ্রেষ্ঠ আমেরিকা বিশ্বজগতের জন্য একটি বাতিঘর। ভাষণে বাইডেন জোর দিয়ে বলেন, আমরা খুবই আনন্দিত। আপনারা আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন। কমলা হ্যারিসকে ভাইস প্রেসিডেন্ট হওয়ার সুযোগ দিয়েছে। কৃষ্ণাঙ্গদের ভোট দলের গতি এনে দিয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি। বলেন, ‘আফ্রিকান আমেরিকান সম্প্রদায় আমার পক্ষে দাঁড়িয়েছিল। আপনারা সবসময় আমার পাশে ছিলেন, আমিও সবসময় আপনাদেরই থাকবো। বর্তমানে আমেরিকায় রাজনৈতিক বা পারস্পারিক বিভাজনের বিষয়টি স্বীকার করে নবনির্বাচিত এই প্রেসিডন্ট বলেন, এখনই সময় এই দূরত্ব, সংশয় এবং বাকবিত-া ঠেলে দিয়ে আমাদের এক হওয়ার। একে অপরকে আবার দেখা, একে অপরের কথা শোনার এখনই সময়। বিরোধীদের শত্রু ভাবা বন্ধ করতে হবে। তারা কারো শত্রু নয়, তারা আমেরিকান।
বৈশ্বিক মহামারির ইস্যুও ছিল বাইডেনের ভাষণে। বলেন, আমরা প্রস্তুত এই মহামারি মোকাবিলায় কাজ করতে। এই মহামারি মোকাবিলায় কোন কিছুতেই ছাড় দেয়া হবে না। সোমবার বাইডেন একটি টাস্কফোর্স এবং মহামারি মোকাবিলার পরিকল্পনা ঘোষণা করবেন বলে জানা গেছে।
আমেরিকাকে বিশ্বের দরবারে ফের সম্মানজনক জায়গায় নিয়ে যেতে বদ্ধপরিকর বলেও নিজের ভাষণে জানিয়েছেন বাইডেন। এই নির্বাচনে তাকে সমর্থন জানানোর জন্য দেশের সংখ্যালঘু সম্প্রদায়ের পাশাপাশি আম জনতাকেও ধন্যবাদ জানিয়েছেন তিনি।
যুদ্ধের প্রসঙ্গে বলেন, ‘যুদ্ধ বন্ধ করার এটাই মোক্ষম সময়। আমেরিকার ক্ষত সারানোরও সেরা সময়। আমি এমন একজন রাষ্ট্রপতি হওয়ার অঙ্গীকার করছি, যিনি বিভাজন না করে জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করতে চান। যিনি লাল ও নীল রাজ্য দেখেন না, কেবল মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রকে দেখেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, ‘এই জাতির ইতিহাসে প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে আমরা সবচেয়ে বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছি সাত কোটি ৪০ লাখ ভোট। আমার ওপর আপনাদের এই আস্থা ও বিশ্বাসের জন্য আমি কৃতজ্ঞ।
নিজের বর্তমান অবস্থানের জন্য স্ত্রী, সন্তান ও নাতি-নাতনিসহ পরিবারের সদস্যদের অবদানের কথাও স্মরণ করেন জো বাইডেন। পরিবারের সবার ভালোবাসা ও অক্লান্ত সমর্থন ছাড়া তার পক্ষে এই জায়গায় পৌঁছানো কখনোই সম্ভব ছিল না বলেও ভাষণে বলেন তিনি। এদিকে, নবনির্বাচিত ভাইস প্রেসিডেন্ট হ্যারিসের আবেগঘণ কণ্ঠে প্রথমেই সমর্থকদের ধন্যবাদ জানাতে ভুলেননি। তার চোখে ছিল বিশ্ব জয়ের প্রতিচ্ছবি। বলেন, গণতন্ত্রের বিজয় ব্যালটের মাধ্যমেই প্রমাণ হয়েছে। আজ থেকে আমেরিকার নতুন সূর্য উঠলো।
এসময় ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস বলেন, ‘আমেরিকার মানুষ একটি সুন্দর দেশ গড়ে তুলতে পারবে। বিপুল ভোট দিয়ে আপনারা আমাদের উপর আস্থা রেখেছেন। তিনি বলেন, ‘জো বাইডেন এই জাতির নিরাময়কারী। তিনি পরীক্ষিত নেতা।’ কমলা আরো বলেন, আপনারা একজন বিজ্ঞানসম্মত, ভদ্র, সত্যবাদী লোককে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত করেছেন।মঞ্চে তাদের সঙ্গে ছিলেন বাইডেন এবং কমলা হ্যারিসের পরিবার। তাদের বক্তব্যের পরপরই রঙিন আলোর ঝলকানি, আতশবাজি ও বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাসের ভেসে যায় মঞ্চের আশপাশ।
হাড্ডাহাড্ডি লড়াইয়ে বর্তমান প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে পরাজিত করেন জো বাইডেন। মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ২৭০ ইলেক্টরালের লক্ষ্যমাত্রা পার হয়ে ২৮৪টি ইলেক্টরাল কলেজ ভোট পেয়ে জয়ী হন ডেমোক্র্যাট পার্টির প্রার্থী জো বাইডেন। পেনসেলভেনিয়ার পপুলার ভোটে জয় পাওয়ায় সেখানকার ২০টি ইলেক্টরাল ভোট বাইডেনের পক্ষে যায়। ফলে জয়ের লক্ষ্যমাত্রার কাছাকাছি থাকা বাইডেন এক লাফেই পার হয়ে যান ২৭০ এর কোটা।
অভিনন্দনে ভাসছেন বাইডেন-কমলা
মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত অভিনন্দনে ভাসছেন ডেমোক্র্যাট দলীয় প্রার্থী জো বাইডেন ও কমলা হ্যারিস। বিপুল অভিন্নন্দন জানিয়েছেন বাংলাদেশের রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ, বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাসহ বিশ্ব নেতৃবৃন্দ। বিশ্ব নেতারা টুইট করে অভিনন্দন বার্তা দিচ্ছেন। বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হওয়ার জন্য ২৭০ ইলেকটোরাল কলেজ ভোট স্পর্শ করার পরই অভিনন্দন জানিয়েছে জার্মানি, জিম্বাবুয়ে, আয়ারল্যান্ড ও ফ্রান্স। জার্মান পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাইকো মাস টুইটারে বলেছেন, অবশেষে ভালো খবর। শেষ পর্যন্ত ভালো কিছু সংখ্যার খবর পেলাম। যুক্তরাষ্ট্রের পরবর্তী সরকারের সঙ্গে কাজ করার অপেক্ষায় আছি আমরা। আমরা নতুন একটি চুক্তি, একটি নতুন ট্রান্স আটলান্টিক চুক্তি শুরুতে সহযোগিতা চাই।
প্যারিসের মেয়র অ্যানে হিলগো টুইটে লিখেছেন, ওয়েলকাম ব্যাক আমেরিকা! নির্বাচনে জেতার জন্য জো বাইডেন ও কমালা হ্যারিসকে অভিনন্দন! আমরা যখন প্যারিস (জলবায়ু) চুক্তির ৫ম বার্ষিকী উদযাপন করবো, তখন এ বিজয় আমাদের কাছে একত্রিতভাবে কাজ করার, একত্রিত হওয়ার এক প্রতীক হিসেবে কাজ করবে, বিশেষ করে জলবায়ু বিষয়ে জরুরি দৃষ্টিভঙ্গির জন্য।
দেশবাসীর পক্ষ থেকে অভিনন্দন জানিয়েছেন জিম্বাবুয়ের প্রেসিডেন্ট ইমারসন মনাঙ্গাগওয়া। টুইটে তিনি লিখেছেন, সব জিম্বাবুয়েনের পক্ষ থেকে নির্বাচনে বিজয়ের জন্য জো বাইডেনকে একটি বিশাল অভিনন্দন। যুক্তরাষ্ট্রের মানুষের জন্য নেতৃত্বে প্রতিটি স্তরে আপনি সফল হোন এমনটা প্রত্যাশা জিম্বাবুয়ের। আমাদের দুই দেশের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য আপনার সঙ্গে কাজ করতে চাই।
আইরিশ প্রধানমন্ত্রী মাইকেল মার্টিন টুইটে বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত জো বাইডেনকে অভিনন্দন। পুরোটা জীবন তিনি এই জাতির একজন সত্যিকার বন্ধু। সামনের দিনগুলোতে তার সঙ্গে কাজ করতে চাই। অভিনন্দন জানিয়েছেন তার পররাষ্ট্রমন্ত্রী সিমন কোভেনিও। এ ছাড়াও অভিনন্দনে সিক্ত হয়েছেন ব্রিটেন, নরওয়ে, বেলজিয়াম, পর্তুগালসহ বিভিন্ন দেশের সরকারপ্রধান টুইট বার্তায়।
এর আগে, টানা চারদিনের অপেক্ষা ও নানা ধরনের নাটকীয়তা শেষে জানা গেলো মার্কিন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনের ফলাফল। ইতিহাসে সর্বোচ্চ ভোট পেয়ে প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন জো বাইডেন। পেনসিলভেনিয়ার ২০টি ইলেকটোরাল ভোট তার ঝুলিতে আসার পরই তার হোয়াইট হাউজের চাবি পাওয়া নিশ্চিত হয়। পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট হলেন কমলা হ্যারিস। গণনা জটিলতা শেষে পাওয়া এ ফলে বিজয়ে উল্লাসে মাতেন ডেমোক্র্যাট সমর্থকরা।
গণনা জটিলতা আর নাটকীয়তার পর ডেমোক্র্যাট দলীয় জো বাইডেন যুক্তরাষ্ট্রের ৪৬তম প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হওয়ায় আনন্দের সীমা নেই বাইডেন ভক্তদের। প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হতে ২৭০ ভোটের প্রয়োজন হয়। গত দুদিন ধরে বাইডেন ২৬৪ আর ডোনাল্ড ট্রাম্প ২১৪ ভোটেই আটকে ছিলেন। পেনসিলভেনিয়ার ভোট যোগ হওয়ায় জয় ছিনিয়ে নেন বাইডেন। আর তাই হোয়াইট হাউজে প্রবেশের চাবি পেলেন তিনি।
মার্কিন ইতিহাসের সর্বোচ্চ ভোট পেযেছেন জো বাইডেন। এর আগে বারাক ওবামা সর্বোচ্চ ভোট পেলেও তার রেকর্ড ভেঙেছেন বাইডেন। মঙ্গলবার ভোট গ্রহণ হলেও ভোট গণনায় দেরি হচ্ছিল। শুধু মার্কিনদের নয়, কে হচ্ছেন পরবর্তী প্রেসিডেন্ট তা জানতে অপেক্ষার পালা দীর্ঘ হয় পুরো বিশ্বের। অবশেষে জানা গেলো বাইডেনই জয়ী। এ খবর পাওয়ার পর এক টুইটার বার্তায় মার্কিনদের ধন্যবাদ জানান দেশের নেতৃত্ব দিতে তাকে বেছে নেয়ার জন্য। এতে বাইডেন প্রতিশ্রুতি দেন, যারা তাকে ভোট দিয়েছেন আর যারা দেননি তিনি তাদের সবারই প্রেসিডেন্ট হবেন।
এদিকে মার্কিন ইতিহাসের প্রথম নারী ভাইস প্রেসিডেন্ট কমালা হ্যারিসও তাৎক্ষণিক এক টুইটে এ জয়ে আনন্দ প্রকাশ করেছেন।
জীবনযুদ্ধে জয়ী বাইডেন
ছেলের মৃত্যু ক্যান্সারে, দুর্ঘটনায় হারান স্ত্রী-মেয়েকে, তবুও জীবনযুদ্ধে হারেননি বাইডেন। জো বাইডেনের জন্ম ১৯৪২ সালের ২০ নভেম্বর পেনসিলভানিয়া অঙ্গরাজ্যের স্ক্রানটনে। চার ভাই-বোনের মধ্যে সবার বড় বাইডেন বেড়ে ওঠেন স্ক্রানটন, নিউ ক্যাসল কাউন্টি ও ডেলাওয়ারের মধ্যেই। বাবা জোসেফ রবিনেট বাইডেন সিনিয়র আর আইরিশ বংশোদ্ভূত মা ক্যাথরিন ইউজেনিয়া ফিনেগান। ডেলাওয়ার ইউনিভার্সিটিতে ইতিহাস ও রাষ্ট্রবিজ্ঞানে পড়াশোনা করেন বাইডেন। পরে তিনি আইনে ডিগ্রি নেন। ১৯৬৬ সালে সিরাকিউজ ইউনিভার্সিটিতে পড়ার সময় বাইডেন নিলিয়া হান্টারকে বিয়ে করেন। তাদের তিন সন্তান আছে। ১৯৭২ সালে বড় দিনের আগে ক্রিসমাস ট্রি কিনতে গিয়ে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় নিলিয়া মারা যায়। তার মেয়ে নাওমিও দুর্ঘটনায় মারা যান। এরপর ভেঙে পড়েছিলেন বাইডেন। কিভাবে কি করবেন জানতেন না তিনি। তবে ফের ঘুরে দাঁড়িয়েছেন তিনি। একজন যোদ্ধা তো এমনই হয়। জীবন যুদ্ধেও সে কখনও হারে না।
বাইডেনের স্বপ্ন ছিল সিনেটর হওয়ার। সিনেটর হওয়ার পরের লক্ষ্যে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হওয়া। তিনি তার লক্ষে অবিচল ছিলেন। নিলিয়াকে হারানোর এক বছরের মাথায় ১৯৭৩ সালে বাইডেন জিল ট্রেসি জ্যাকবকে বিয়ে করেন। তাদের এক কন্যা সন্তান রয়েছে। ১৯৭০ সালে ডেলাওয়ারের নিউ ক্যাসল কাউন্টির কাউন্সিলম্যান নির্বাচিত হন জো বাইডেন। ৩০ বছর বয়সের মধ্যেই যুক্তরাষ্ট্রের সিনেটর হওয়ার স্বপ্ন পূরণ হয় তার। ১৯৭২ সালের নভেম্বরে তৎকালীন জনপ্রিয় রিপাবলিকান সিনেটর স্যালেব বগসের বিপক্ষে ডেমোক্রেটিক দল থেকে প্রার্থী হন তিনি। মাত্র ৩০ বছর বয়সে তিনি যুক্তরাষ্ট্রের ইতিহাসে সবচেয়ে কম বয়সী পঞ্চম সিনেটর নির্বাচিত হন। একবার ইতিহাস তৈরি করেছিলেন সে সময় জো বাইডেন।
ডেলাওয়ার থেকে মোট ছয়বার সিনেটর নির্বাচিত হন জো বাইডেন। সিনেটের বিচার কমিটিতে নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেন। নারীর বিরুদ্ধে সহিংসতা আইনসহ যুক্তরাষ্ট্রের গুরুত্বপূর্ণ বেশ কয়েকটি আইন প্রণয়ন করেন তিনি। ২০০৭ সালে আবার নির্বাচনে দাঁড়ান। ওই বছর বারাক ওবামা প্রেসিডেন্ট হন এবং রানিংমেট হিসেবে বেছে নেন বাইডেনকে। ২০০৯ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত তিনি ভাইস প্রেসিডেন্টের দায়িত্ব পালন করেন। ২০১৫ সালে আবারও প্রিয়জন হারান বাইডেন।
মস্তিষ্কের ক্যানসারে বড় ছেলে বো বাইডেনের মৃত্যুতে ভেঙে পড়েন জো। ২০১৬ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে ডেমোক্রেটিক পার্টির মনোনয়ন পাওয়ার আগেই সরে যান। ব্যক্তিগত ও রাজনৈতিক জীবনে নানা উত্থান-পতনের পর ঘুরে দাঁড়ান জো বাইডেন। আর আজ তিনি আমেরিকার প্রেসিডেন্ট। বাইডেনের জীবন বলে দেয় তিনি জিততে এসেছেন। জয় তার জন্যই অপেক্ষা করছিল। আমেরিকার মসনদের তাজ তাঁর মাথায়। এ যে তার কাছে শুধু নয় গোটা আমেরিকাবাসীর কাছে গর্বের। নতুন ইতিহাসের সাক্ষী থাকল পৃথিবী। বাইডেন হেরে না যাওয়া যোদ্ধা। এই কঠিন পরিস্থিতি সামাল দেওয়ার যোগ্য সৈনিক তিনি।


