বিশ্বকাপ মঞ্চে আদিল ও মঈনের হৃদয়কাবায় ঈমানের শক্তি

বিশ্বকাপ মঞ্চে আদিল ও মঈনের হৃদয়কাবায় ঈমানের শক্তি

বিশ্বকাপ মঞ্চে আদিল ও মঈনের হৃদয়কাবায় ঈমানের শক্তি

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মুসলিম যেখানেই থাকুক তার হৃদয়কাবায় থাকেন আল্লাহর ভালোবাসা। ইংল্যান্ড বিশ্বকাপ জয়ের পেছনে দুই ঈমানওয়ালার শক্তি দেখলো বিশ্ব। আদিল রশিদ আ মঈন আলী বিশ্বকাপ মঞ্চের আনন্দঘন মঞ্চ থেকে নিজেরা সরে প্রমাণ করলেন হারাম হারামই। ঈমান ঈমানই। এরসঙ্গে অন্য কোনো কিছুর যোগ হতে পারে না।

সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে প্রশংসাও পাচ্ছেন মুসলিম ক্রিকেট দুই তারকা। ব্রিটিশদের চোখ খুলে দিতেও সাহায্য করবে এই দুই তারকার এমন সুন্দর আচরণ।

ক্রিকেটের জনক হলেও দ্বাদশ আসরে এসে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয়ের স্বাদ পেল ইংল্যান্ড। আর এত বছর পর পরম আরাধ্য শিরোপাটি জিততে পেরে বাঁধভাঙ্গা উল্লাসে মত্ত এখন গোটা ব্রিটেনবাসী। নিউজিল্যান্ডকে হারানোর পর মাঠেও পাগলাটে উদযাপন করতে দেখা যায় ইংলিশ ক্রিকেটাররা। সত্যিই! বিশ্বকাপ জয়ের চেয়ে আর বড় কিছু তো পাওয়ার থাকে না।

এদিকে পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানের পর ট্রফি হাতে পেয়েই আরও বড় ধরনের উল্লাসে মেতে ওঠে ইংলিশ দলের খেলোয়াড়রা। স্বাভাবিকভাবেই তাদের সংস্কৃতি অনুযায়ী, উদযাপনের অনুসঙ্গ ছিল মদের বোতল (শ্যাম্পেইন)। তা ছিটিয়েই শিরোপা নিয়ে আনন্দে-উল্লাসে ফেটে পড়ে দলের ক্রিকেটার ও কোচিং স্টাফরা।

তবে দলের এই শিরোপা উদযাপন থেকে হঠাৎ করেই হাওয়া হয়ে যান ইংলিশ দলের দুই মুসলিম ক্রিকেটার মঈন আলী ও আদিল রশিদ। মূলত, ইসলামে মদ হারাম। সে কারণেই ধর্ম ভীরুতার এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করে শিরোপা উদযাপন না করেই সরে মঞ্চ থেকে নেমে পড়েন তারা। এরপর দূর থেকে দাঁড়িয়ে সতীর্থদের বাঁধভাঙা উল্লাস দেখেন মঈন-রশিদ।

ধর্মপ্রাণ মুসলমান হিসেবে বরাবরই বেশ খ্যাতি রয়েছে এই দুই ইংলিশ ক্রিকেটারের। খেলার মধ্যেও ধর্মীয় রীতি-নীতি যতটা সম্ভব মেনে ক্রিকেট খেলার চেষ্টা করেন তারা। এদিকে মদের কারণে দলের সঙ্গে এ দুই ক্রিকেটারের শিরোপা উদযাপন না করার ঘটনা এই প্রথম নয়। এর আগে, গত বছর ভারতকে নিজেদের ঘরের মাটিতে ৪-১ ব্যবধানে টেস্ট সিরিজে হারানোর পরও এই একই কারণে দলের সঙ্গে শিরোপা উদযাপন করেননি তারা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *