বিশ্বজুড়ে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

বিশ্বজুড়ে করোনায় বেড়েছে মৃত্যু, কমেছে শনাক্ত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিশ্বজুড়ে চলমান করোনা মহামারিতে দৈনিক মৃত্যুর সংখ্যা আরও বেড়েছে। তবে কিছুটা কমেছে নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বজুড়ে সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে তাইওয়ানে। অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির শীর্ষে উঠে এসেছে রাশিয়া।

মঙ্গলবার সকালে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত, মৃত্যু ও সুস্থতার হিসাব রাখা ওয়েবসাইট ওয়ার্ল্ডোমিটারস থেকে পাওয়া সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, গত ২৪ ঘণ্টায় সারা বিশ্বে করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৬১৯ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় মৃত্যুর সংখ্যা বেড়েছে শতাধিক। এতে বিশ্বজুড়ে মৃতের সংখ্যা পৌঁছেছে ৬৫ লাখ ৫১ হাজার ৬৭২ জনে।

একই সময়ের মধ্যে ভাইরাসটিতে নতুন করে আক্রান্ত হয়েছেন ১ লাখ ৬৯ হাজার ৩৩০ জন। অর্থাৎ আগের দিনের তুলনায় নতুন শনাক্ত রোগীর সংখ্যা কমেছে ৬৭ হাজারের বেশি। এতে মহামারির শুরু থেকে এ পর্যন্ত ভাইরাসে আক্রান্ত মোট রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৬২ কোটি ৩৬ লাখ ৬৬ হাজার ৭৮০ জনে।

এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় বিশ্বে করোনায় সবচেয়ে বেশি সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছে তাইওয়ানে। এই সময়ের মধ্যে দেশটিতে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৩৩ হাজার ৪৩১ জন এবং মারা গেছেন ৩৮ জন।

অন্যদিকে দৈনিক প্রাণহানির তালিকায় শীর্ষে উঠে এসেছে রাশিয়া। গত ২৪ ঘণ্টায় এই দেশটিতে নতুন করে ভাইরাসে সংক্রমিত হয়েছেন ২৪ হাজার ১৫৮ জন এবং মারা গেছেন ৯১ জন।

ফ্রান্সে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ৮ হাজার ৬৯০ জন এবং মারা গেছেন ৬২ জন। যুক্তরাষ্ট্রে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১২ হাজার ৬১৬ জন এবং মারা গেছেন ৫৩ জন।

জাপানে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ হাজার ১৬৭ জন এবং মারা গেছেন ৫৩ জন। একইসময়ে ফিলিপাইনে নতুন করে করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন ১ হাজার ৯৬৭ জন এবং মারা গেছেন ২৯ জন।

ব্রাজিলে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ৫৫ জন এবং নতুন করে সংক্রমিত হয়েছেন ৫ হাজার ২৭৮ জন। ইতালিতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৩ হাজার ৩১৬ জন এবং মারা গেছেন ৪৭ জন। দক্ষিণ কোরিয়ায় করোনায় আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন ২০ জন এবং সংক্রমিত হয়েছেন ১২ হাজার ১৫০ জন।

২০১৯ সালের ডিসেম্বরে চীনের উহানে প্রথম করোনাভাইরাসে আক্রান্ত রোগী শনাক্ত হয়। এরপর ২০২০ সালের ১১ মার্চ বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা (ডব্লিউএইচও) করোনাকে ‘বৈশ্বিক মহামারি’ হিসেবে ঘোষণা করে। এর আগে একই বছরের ২০ জানুয়ারি বিশ্বজুড়ে জরুরি পরিস্থিতি ঘোষণা করে সংস্থাটি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *