পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিভিন্ন প্রাকৃতিক দুর্যোগের কারণে সবচেয়ে বিপজ্জনক দেশগুলির একটি তালিকা প্রকাশ করেছে জাতিসংঘ বিশ্ববিদ্যালয়৷ ‘ওয়ার্ল্ড রিস্ক রিপোর্ট’ শিরোনামের এই তালিকায় ওপরের দিকেই রয়েছে বাংলাদেশ৷ জেনে নিন কোন দেশ কত বিপজ্জনক-
১. ভানুয়াতু। বিপদ সূচক: ৫০.২৮
ভানুয়াতুর পুরা নাঙহান প্রজাতন্ত্রি ভানুয়াতু, এহান ওশেনিয়া মহাদেশ বারো মেলানেসিয়া উপমহাদেশর দেশ আহান। দেশ এহানর রাজধানীগ পোর্ট ভিলা। রাষ্ট্র এহানর মানুরে/নাগরিকরে ভানুয়াতুয়ান বুলতারা।
২. টোঙ্গা। বিপদ সূচক: ২৯.৪২
টোঙ্গা রাজ্য দক্ষিণ প্রশান্ত মহাসাগরে অবস্থিত স্বাধীন দ্বীপরাষ্ট্র। এটি ফিজির প্রায় ৬৫০ কিমি দক্ষিণ-পূর্বে এবং নিউজিল্যান্ডের প্রায় ১,৮৫০ কিমি উত্তর-পূর্বে অবস্থিত। পলিনেশীয় দ্বীপগুলির মধ্যে একমাত্র টোঙ্গাতেই রাজতন্ত্র টিকে আছে। নুকুয়ালোফা এটির রাজধানী, প্রধান বন্দর ও বৃহত্তম শহর।
৩. ফিলিপিন্স। বিপদ সূচক: ২৫.১৪
ম্যানিলা শহর দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার দ্বীপপুঞ্জ রাষ্ট্র ফিলিপাইনের রাজধানী।
৪. গায়ানা। বিপদ সূচক: ২৩.২৩
গায়ানা দক্ষিণ আমেরিকা মহাদেশের উত্তর উপকূলে অবস্থিত একটি দেশ। এটি পূর্বে একটি ব্রিটিশ উপনিবেশ ছিল এবং তখন এর নাম ছিল ব্রিটিশ গায়ানা। ১৯৬৬ সালে ১৫০ বছরের ঔপনিবেশিক শাসন শেষে ব্রিটিশ গায়ানা স্বাধীনতা লাভ করে এবং গায়ানা নাম নেয়। গায়ানা একটি আদিবাসী আমেরিকান শব্দ, যার অর্থ “পানির দেশ”। দেশটির পূর্ণ সরকারি নাম গায়ানা সহযোগিতামূলক প্রজাতন্ত্র।
৫. বাংলাদেশ। বিপদ সূচক: ১৭.৩৮
বাংলাদেশের সাংবিধানিক নাম গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ। ভূ-রাজনৈতিক ভাবে বাংলাদেশের পশ্চিমে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ, উত্তরে পশ্চিমবঙ্গ, আসাম ও মেঘালয়, পূর্ব সীমান্তে আসাম, ত্রিপুরা ও মিজোরাম, দক্ষিণ-পূর্ব সীমান্তে মায়ানমারের চিন ও রাখাইন রাজ্য এবং দক্ষিণ উপকূলের দিকে বঙ্গোপসাগর অবস্থিত।[১০] বাংলাদেশের ভূখণ্ড ভৌগোলিকভাবে একটি উর্বর ব-দ্বীপের অংশ বিশেষ। পার্শ্ববর্তী দেশের রাজ্য পশ্চিমবঙ্গ ও ত্রিপুরা-সহ বাংলাদেশ একটি ভৌগোলিকভাবে জাতিগত ও ভাষাগত “বঙ্গ” অঞ্চলটির মানে পূর্ণ করে। “বঙ্গ” ভূখণ্ডের পূর্বাংশ পূর্ব বাংলা নামে পরিচিত ছিল, যা ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে বাংলাদেশ নামে স্বাধীন ও সার্বভৌম দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করে। পৃথিবীতে যে ক’টি রাষ্ট্র জাতিরাষ্ট্র হিসেবে মর্যাদা পায় তার মধ্যে বাংলাদেশ অন্যতম।
৬. মরিশাস। বিপদ সূচক: ১৪.২৭
মরিশাস পূর্ব আফ্রিকার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর রাজধানীর নাম পোর্ট লুইস। সর্বপ্রথম ওলন্দাজ (পর্তুগিজ) অভিযাত্রীরা ১৫০৭ সালে আদিবাসীবিহীন দ্বীপটি আবিষ্কার করে। ওলন্দাজরা ১৬৩৮ সালে দ্বীপটিতে বসতি স্থাপন করে এবং ১৭১০ সালে পরিত্যাগ করে। পাঁচ বছর পর, দ্বীপটি একটি ফরাসি উপনিবেশ হয়ে ওঠে এবং একে ‘আইল ডি ফ্রান্স’ নামকরণ করা হয়।
৭. জাপান। বিপদ সূচক: ১১.০৮
জাপান হল পূর্ব এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এই দেশটি প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জাপান সাগর, পূর্ব চীন সাগর, চীন, উত্তর কোরিয়া, দক্ষিণ কোরিয়া ও রাশিয়ার পূর্ব দিকে উত্তরে ওখোৎস্ক সাগর থেকে দক্ষিণ পূর্ব চীন সাগর ও তাইওয়ান পর্যন্ত প্রসারিত। যে কাঞ্জি অনুসারে জাপানের নামটি এসেছে, সেটির অর্থ “সূর্য উৎস”। জাপানকে প্রায়শই “উদীয়মান সূর্যের দেশ” বলে অভিহিত করা হয়।
৮. আফগানিস্তান। বিপদ সূচক: ১০.৪৫
আফগানিস্তান, যার সরকারি নাম আফগানিস্তান ইসলামী প্রজাতন্ত্র। ক্ষিণ এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। রাষ্ট্রটি ইরান, পাকিস্তান, চীন, তাজিকিস্তান, উজবেকিস্তান, ও তুর্কমেনিস্তানের মধ্যস্থলে একটি ভূ-বেষ্টিত মালভূমির উপর অবস্থিত। আফগানিস্তানকে অনেক সময় দক্ষিণ এশিয়া এবং মধ্যপ্রাচ্যের অংশ হিসেবেও গণ্য করা হয়। আফগানিস্তানের পূর্বে ও দক্ষিণে পাকিস্তান, পশ্চিমে ইরান, উত্তরে তুর্কমেনিস্তান, উজবেকিস্তান ও তাজিকিস্তান এবং উত্তর-পূর্বে গণচীন। আফগানিস্তান শব্দটির অর্থ “আফগান (তথা পশতুন) জাতির দেশ”। আফগানিস্তান একটি রুক্ষ এলাকা – দেশটির অধিকাংশ এলাকা পর্বত ও মরুভূমি আবৃত। পর্বত উপত্যকাগুলি আর উত্তরের সমভূমিতেই কেবল গাছপালার দেখা মেলে। এখানকার গ্রীষ্মকালীন আবহাওয়া গরম ও শুষ্ক এবং শীতকালে এখানে প্রচণ্ড শীত পড়ে। কাবুল দেশটির বৃহত্তম শহর ও রাজধানী।
৯. শ্রীলঙ্কা। বিপদ সূচক: ৭.৬৫
শ্রীলঙ্কা দক্ষিণ এশিয়ার একটি দ্বীপ রাষ্ট্র। এর সরকারি নাম গণতান্ত্রিক সমাজতান্ত্রিক প্রজাতন্ত্রী শ্রীলঙ্কা। ১৯৭২ সালের আগে এই দ্বীপ সিলন নামেও পরিচিত ছিল। এর প্রশাসনিক রাজধানীর নাম শ্রী জয়াবর্ধেনেপুরা কোট্টে। এর প্রধান শহর কলম্বো। ভারতের দক্ষিণ উপকূল হতে ৩১ কিলোমিটার দুরে অবস্থিত। ২ কোটি জনসংখ্যার এই দেশে ১৪% এর অধিক লোকজনের দৈনিক আয় ১.২৫ মার্কিন ডলারের নীচে। প্রাচীনকাল থেকেই শ্রীলঙ্কা বৌদ্ধ ধর্মাবলম্বীদের তীর্থস্থান হিসেবে পরিচিত।
১০. মিয়ানমার। বিপদ সূচক: ৭.৪৯
মিয়ানমার প্রাক্তন নাম ও কথ্যরূপ বর্মা বা বার্মা। দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ার একটি রাষ্ট্র। মায়ানমারের আনুষ্ঠানিক নাম হল মায়ানমার প্রজাতন্ত্র। মায়ানমারের রাজধানী নেপিদ। তৎকালীন বার্মার গণতান্ত্রিক সরকারের উৎখাতের পর ১৯৮৯ সালে সেখানকার সামরিক সরকার বার্মার নতুন নামকরণ করে “মিয়ানমার” এবং প্রধান শহর ও তৎকালীন রাজধানী রেঙ্গুনের নতুন নাম হয় “ইয়াঙ্গুন”। তবে গণতান্ত্রিক দলগুলোর অনেক অনুসারীই এই নামকরণের বিপক্ষে। ২১ অক্টোবর ২০১০ থেকে দেশটির জাতীয় সঙ্গীত ও নতুন জাতীয় পতাকা প্রবর্তন করা হয়।
সূত্র : ইন্টারনেট অবলম্বনে


