- আব্দুস সালাম ইবন হাশিম
একজন সাধারণ থেকে সাধারণ মানুষকে হত্যা করা সমগ্র মনুষ্য জাতীকে হত্যার শামিল বলে আখ্যায়িত করেছে যেই ইসলাম, সেই ইসলাম একটি জাতির সহস্রাধিক বুদ্ধিজীবীকে হত্যার বৈধতা দিবে এটি বদ্ধ উন্মাদ ছাড়া কেউই বিশ্বাস করে না। কিন্তু বিশ্বাস করে পাকিস্তান নামক একটি অভিশপ্ত রাষ্ট্রের কিছু গাদ্দার নীতিনির্ধারক, বিশ্বাস করে পাকি প্রেতাত্মার নিঃশেষিত আত্মার কিছু স্বদেশী ড্রাকুলা।
বীরে মাউনায় মুনাফিকদের সহায়তায় কাফিররা ইসলামের শ্রেষ্ঠ ৪০ জন সাহাবী রা. কে নির্মমভাবে হত্যা করেছিলো। যারা ছিলেন হাফেজ, ক্বারী ও আলেম ও উম্মাহর মেধাবী ও শ্রেষ্ঠ ব্যাক্তিত্ব। তাঁদেরকে হত্যা করে মূলত মুশরিকরা ইসলামকে নিশ্চিহ্ন করে দিতে চেয়েছিলো। চেয়েছিলো কুরআনকে বিলুপ্ত করে দিতে ।
পাকিরা দেশীয় মুনাফিক দালালদের সহায়তায় বাঙালীকে মেধাশূন্য করতে ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞ চালায়
একাত্তরের ১৪ ডিসেম্বর বাংলাদেশের ইতিহাসে ঘটে যায় এমনই একটি ঘটনা। স্বদেশী মুনাফিকদের সহায়তায় পাকিস্তানি মিলিটারি বাহিনী বাঙালী মায়ের সহস্রাধিক মেধাকে হত্যা করে নির্মমভাবে। পাকিরা দেশীয় মুনাফিক দালালদের সহায়তায় বাঙালীকে মেধাশূন্য করতে ভয়ঙ্কর হত্যাযজ্ঞ চালায়। পিছিয়ে দেয় বাঙালী জাতিকে এক শতাব্দী।
স্বাধীনতার অর্ধশতাব্দীকাল গত হয়েছে। বাংলাদেশ তার দগদগে ক্ষতগুলো কাটিয়ে সজীব সতেজ প্রাণবন্ত হয়ে পৃথিবীর বুকে মাথা উঁচিয়ে দাঁড়িয়েছে। আর পাকিস্তান, যতই দিন যায় ততই বাড়ছে তার অধঃপতন। জঙ্গিবাদের ভয়াল ছোবলে একদিকে যেমন মুখ থুবড়ে পড়ে আছে দেশটি অন্যদিকে অর্থনীতির দৈন্যতার যাতাকলে পিষ্ট হয়ে ভিক্ষার ঝুলি নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে বিদেশী প্রভুদের। আলেম উলামা, শিশু কিশোর, সাধারণ মানুষ কেউই আজ ভালো নেই পাকিস্তানে।
আর দেশীয় মুনাফিকদেরও বিচার হয়েছে। ফাঁসিতে ঝুলেছে বীরে মাউনার হত্যাকাণ্ডের মূল হোতা আমির বিন তুফাইলের চ্যালাচামুণ্ডারা। বাংলাদেশ এগিয়ে যাচ্ছে। এগিয়ে যাক।
লেখক, ধর্মীয় বিশ্লেষক


