পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : ভারতের আসামের বিধানসভায় গরু জবাই নিয়ন্ত্রণে একটি বিল আনা হয়েছে। রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিমান্ত বিশ্বশর্মা ‘আসাম ক্যাটল প্রিজার্ভেশন বিল-২০২১’ নামের এই বিলটি উত্থাপন করেন। গতকাল সোমবার (১২ জুলাই) তোলা এই বিলে গরুসহ গবাদিপশু জবাই, ভক্ষণ ও পরিবহন নিয়ন্ত্রণের কথা বলা হয়েছে।
টাইমস অব ইন্ডিয়া জানায়, আসামের বিধানসভার বাজেট অধিবেশনের প্রথমদিনে রাজ্য সরকার বিলটি এনেছে। তবে পণ্যের দাম বাড়ার প্রতিবাদে অধিবেশন থেকে ওয়াকআউট করেছেন বিরোধী দলীয় এমএলএ’রা।
বিলটি বিধানসভায় পাস হলে বা আইনে পরিণত হলে কিছু এলাকায় গরুর মাংস বিক্রি, বহন ও প্রদান এবং প্রদর্শন নিষিদ্ধ হবে। যেসব এলাকার বেশিরভাগ বাসিন্দা হিন্দু, জৈন, শিখ ও গরুর মাংস ভক্ষণ করে না- সেসব এলাকায় এটি বাস্তবায়িত হবে।
এ ছাড়া বিলে বলা হয়েছে, কোনো মন্দির, বৈষ্ণবদের উপাসনালয় সত্রা ও হিন্দুদের ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ৫ কিলোমিটার ব্যাসার্ধের মধ্যে এটি কার্যকর হবে। সেইসঙ্গে কর্তৃপক্ষ চাইলে কোনো প্রতিষ্ঠান বা এলাকায় এটি প্রয়োগ করতে পারবে।
বিলে আরো বলা হয়, অনুমোদিত স্থানেও গরুর মাংস বা তা দিয়ে তৈরি জিনিস বিক্রি, বিক্রির প্রস্তাব বা প্রদর্শন করার ক্ষেত্রে কর্তৃপক্ষের অনুমতি লাগবে। অন্য কোথাও সরাসরি বা পরোক্ষভাবে এসব জিনিস বিক্রি বা কিনতে পারবেন না।
বিলে নিয়ম ভাঙলে ৩-৮ বছরের জেল এবং ৩-৫ লাখ রুপি জরিমানার বিধান রাখা হয়েছে। আসামে বিদ্যমান ১৯৫০ সালের আইনে শর্তসাপেক্ষে পশু জবাই করার অনুমোদন রয়েছে। তাতে গরুর মাংস খাওয়াকে অপরাধ হিসেবে দেখানো হয়নি।


