পাথেয় ডেস্ক : দেওবন্দ : লক্ষ্ণৌ টিলা মসজিদের সামনে সম্প্রতি মূর্তি স্থাপনকে কেন্দ্র করে সাম্প্রদায়িক বিভক্তি ছড়িয়ে পড়ার সম্ভাবনা দেখছেন ভারতের সমাজ বৌদ্ধারা। তারা দুঃখ প্রকাশ করে বলছেন, নির্বাচনের বছর আবারো ভারতে হিন্দু মুসলিম বিভক্তি করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে কুটিলরা।
তারা বলেন, দেশের যে কোনও জায়গায় যে কারও মূর্তি ইচ্ছা স্থাপন করা যেতে পারে। কিন্তু জেনে-বুঝে ভিন্ন ধর্ম্বালম্বীদের উপাসনা স্থানের সামনে জোর করে মূর্তি স্থাপন অবশ্যই সাম্প্রদায়িক বিবাদকেই উসকে দেয়া এবং এর দ্বারা কিছু রাজনৈতিক ফায়দা লুটার অপচেষ্টা চালাচ্ছে স্বার্থান্বেষীরা
।ইউ, পি রাবেতা কমিটির সেক্রেটারি ডক্টর উবায়েদ ইকবাল আসেম বলেন, হিন্দুস্থানের আইনি ও নীতিগত বিষয়াদি সেকুলারে পন্থী। কিন্তু এখানে প্রত্যেক মতাদর্শের বিশ্বাসী মানুষের বসবাস। রাষ্ট্রের আইন যাদের ধর্মীয় স্বাধীনতা প্রদান করেছে।
তিনি আরও বলেন, রাষ্ট্রীয় আইনও ভিন্ন ধর্ম্বালম্বীর পরস্পর কেউ কাউকে তার ধর্মীয় বিষয়ের কোনও শাখাগত অনুষঙ্গেও কখনোই আঘাত করার অনুমতি দেয় না।
ডক্টর আসেম বলেন, টিলা মসজিদের সামনে সবকিছু জেনে-বুঝে এ মূর্তি স্থাপনের পেছনে রাজনৈতিক ষড়যন্ত্র কাজ করছে। কেননা তারা জানে ইসলাম ধর্মে মূর্তিপূজা হারাম। আর এ মূর্তি স্থাপন নিয়ে দু’ধর্মের লোকই তাদের ইবাদত-উপাসনা নিয়ে ঝগড়াবিবাদে লিপ্ত হতে পারে। এ কারণেই রাষ্ট্রীয় সরকারের উচিৎ খুব শিগগিরই মসজিদের সামনে থেকে মূর্তি অপসারণ করে অন্য কোথাও স্থাপন করে। এর দ্বারা দু’ধর্মের কারোরই কোনও সমস্যা থাকছে না।
এছাড়াও তিনি একথা স্পষ্ট করে বলে দেন, কোনও মুসলিম কিন্তু মূর্তি স্থাপনের বিরোধিতা করেনি কখনোই।
———————————–
গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ
তথ্যসূত্র : ডেইলি সাহাফাত, দিল্লী
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


