পাথেয় রিপোর্ট : ভারতে মুসলিম নির্যাতন বন্ধে জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া কথা উল্লেখ করে ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি শেখ ফজলুল করীম মারুফ বলেছেন, ভারতে বিজেপি ক্ষমতায় আসার পর দেশজুড়ে মুসলিমদের ওপর নির্যাতনের মাত্রা ভয়াবহ আকার নিয়েছে। বিভিন্ন রাজ্যে কোনো কারণ ছাড়াই মুসলিমদের ওপর হামলা ও হত্যার ঘটনা নৈমিত্তিক ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে।
তিনি বলেন, হিন্দুদের সাম্প্রদায়িক উস্কানীমূলক কার্যক্রম বন্ধ করা না হলে তাদের ঔদ্ধত্বপূর্ণ আচরণ দিনদিন বাড়তেই থাকবে। সুতরাং এখনই মুসলিম প্রধান বাংলাদেশ সরকারের উচিত পারস্পরির আলোচনা এবং জাতিসংঘের হস্তক্ষেপের মাধ্যমে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়া।
মঙ্গলবার (২ জুলাই) বিকাল ৪টায় ইসলামী শাসনতন্ত্র ছাত্র আন্দোলন-এর উদ্যোগে ভারতসহ উপমহাদেশে সাম্প্রদায়িক অপশক্তির উত্থান ও মুসলিম নিধন এবং বরগুনায় রিফাত হত্যাসহ দেশব্যাপী চলমান হত্যাযজ্ঞের প্রতিবাদে জাতীয় প্রেসক্লাব চত্বরে মানববন্ধনে শেখ ফজলুল করীম মারুফ এসব কথা বলেন।
সংগঠনের কেন্দ্রীয় সভাপতি বলেন, ভারতে যখন মুসলিম নির্যাতনের ষ্টিমরোলার চলছে এমন অবস্থায় উগ্র হিন্দুত্ববাদীদের আরও উসকে দিয়েছেন বিজেপি নেত্রী সুনীতা সিং। তিনি বলেন, ‘হিন্দু পুরুষদের উচিত মুসলিম মেয়েদের প্রকাশ্যে গণধর্ষণ করা’। নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে এমন কথা বলেছেন বিজেপির মহিলা মোর্চার এই নেত্রী। তার এমন বক্তব্য সমগ্র মুসলিম উম্মাহকে ক্ষুব্ধ করেছে। এছাড়াও বাইক চুরির মিথ্যা অভিযোগ এনে গত ২৬ জুন শানাউল শেখ নামে ২৪ বছরের এক যুবককে বেধর পেটানো হয়। আশঙ্কাজনক অবস্থায় শানাউলকে মালদা মেডিক্যাল কলেজ ও হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরে সেখান থেকে কলকাতার এসএসকেএম হাসপাতালে স্থানান্তরিত করা হলে সেখানেই তার মৃত্যু হয়।
মানববন্ধনে আরো উপস্থিত ছিলেন ইশা ছাত্র আন্দোলন-এর জয়েন্ট সেক্রেটারি জেনারেল নূরুল করীম আকরাম, কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক একেএম আব্দুজ্জাহের আরেফী, কেন্দ্রীয় প্রশিক্ষণ সম্পাদক শেখ মুহাম্মাদ আল-আমিন, কেন্দ্রীয় তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক মুহাম্মাদ আব্দুল জলিল, কেন্দ্রীয় পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক, শরিফুল ইসলাম রিয়াদ, কেন্দ্রীয় আলিয়া মাদরাসা সম্পাদক সাইফ মুহাম্মাদ সালমান ও কেন্দ্রীয় প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় সম্পাদক, মাহমুদুল হাসান-সহ প্রমূখ নেতৃবৃন্দ।


