পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : নির্বাচনে ভোট ডাকাতির চেয়ে বড় জঙ্গিবাদ নেই বলে মন্তব্য করেছেন গণস্বাস্থ্য কেন্দ্রের প্রতিষ্ঠাতা ও ট্রাস্টি ডা. জাফরুল্লাহ চৌধুরী। দাড়ি-টুপি পরাদের জঙ্গি বলা ‘অন্যায় ও ভাঁওতাবাজি’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি। আজ শনিবার (১৮ সেপ্টেম্বর) জাতীয় প্রেস ক্লাবের এক অনুষ্ঠানে এই ‘ভাঁওতাবাজি’ বন্ধের জন্য সবাইকে বুদ্ধিমান হওয়ার কথা বলেন এই বামপন্থী নেতা।
‘সন্ত্রাস ও উগ্রবাদ নয়: সম্প্রীতি, ইনসাফ ও সহনশীলতাই ইসলাম’ শীর্ষক এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে বাংলাদেশ জাতীয় মুফাসসির পরিষদ। এতে ন্যায় প্রতিষ্ঠার প্রক্রিয়াকে ‘জিহাদ’ উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, অধর্মের বিরুদ্ধে, অন্যায়ের বিরুদ্ধে সংগ্রামই জিহাদ। বঞ্চিতদের ন্যায়ের অধিকার প্রতিষ্ঠা করাই হলো জিহাদ। জিহাদ বললে লজ্জা পাওয়ার কিছু নেই, ভাবতে হবে ন্যায়ের পক্ষে আছি আমি।
ইসলামকে অত্যাচারের প্রতিবাদে বিজ্ঞানসম্মত ধর্ম আখ্যায়িত করে তিনি বলেন, গণতন্ত্র ও জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠাই ছিল মুক্তিযুদ্ধের অঙ্গীকার। ইসলামের কথা, মানুষের কথা ও ন্যায়ের কথা বলেছি। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ আজ ভূলুণ্ঠিত, সে জন্য সংগ্রামে যেতে হবে আবার।
নামাজ না পড়লে মুরতাদ বলার অধিকার কারো নেই উল্লেখ করে জাফরুল্লাহ চৌধুরী বলেন, নামাজ না পড়লে আমাকে বেত মারার অধিকার নেই কারো। এ ব্যাপারে আল্লাহ সিদ্ধান্ত নেবেন, বিচার করবেন। মানুষ আলেমদের সম্মান করে, ছোট দোষ করলে বড় হয়ে যায়।
আফগানিস্তানের তালেবানকে ‘মুক্তিযোদ্ধা’ আখ্যায়িত করে তিনি আরও বলেন, তারা ২০ বছর যুদ্ধ করে স্বাধীনতা অর্জন করেছে। তাদের সালাম করতে হবে, সাহায্য করতে হবে। খাদ্য সংকটের কথা উঠে আসছে। আমরা ১৬ কোটি মানুষ তাদের কয়েক বছরের খাবারের ব্যবস্থা করতে পারি।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কল্যাণ পার্টির চেয়ারম্যান মেজর জেনারেল ( অব.) সৈয়দ মোহাম্মদ ইব্রাহিম, ড. মাওলানা এনায়েতুল্লাহ আব্বাসী, ড. আল্লামা সাইয়েদ কামাল উদ্দিন জাফরী ও জাহাঙ্গীর আলম মিন্টু প্রমুখ।


