কক্সবাজার প্রতিনিধি : ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত দালানকোঠা ও মানুষের চাপে সেন্টমার্টিন দ্বীপে ভাঙন ধরেছে। দুদিন ধরে সমুদ্রের স্রোতে দ্বীপের চারদিকে দেখা দিয়েছে ভাঙন। দ্বীপটি দাঁড়িয়ে আছে শুধু পাথরের ওপর। অবকাঠামো নির্মাণে ব্যবহার করা হচ্ছে এসব পাথর। এছাড়া সমুদ্রসৈকত থেকে অবাধে তোলা হচ্ছে বালি। এসব কারণে সেন্টমার্টিন দ্বীপের বেশ কিছু রিসোর্টের সামনের জায়গা সমুদ্রের স্রোতে ভেঙে যাচ্ছে। এ অবস্থায় দেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপটি মানচিত্র থেকে হারিয়ে যাওয়ার আশঙ্কায় রয়েছে। দ্বীপটি রক্ষায় জরুরি ভিত্তিতে পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
অভিযোগ রয়েছে, সরকার প্রতি বছর এ দ্বীপ থেকে কোটি টাকা রাজস্ব আদায় করলেও এটি রক্ষায় তেমন কোনও পদক্ষেপ নেয়নি। দুদিন ধরে দ্বীপে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে।
এ প্রসঙ্গে সেন্টমার্টিন দ্বীপ ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান নূর আহমদ বলেন, অতিরিক্ত দালানকোঠা ও মানুষের চাপে দ্বীপটি নিচের দিকে দেবে যাচ্ছে। ফলে গত দুদিন ধরে সমুদ্রের স্রোতে দ্বীপের চারদিকে ভাঙন ধরেছে। এতে দ্বীপটি বিলীন হয়ে যাচ্ছে। দ্বীপে প্রতি বছর হাজার হাজার দেশি-বিদেশি পর্যটক ভ্রমণে আসেন, তা থেকে সরকার কোটি টাকা রাজস্ব পায়। কিন্তু দ্বীপ রক্ষার দায়িত্ব নিচ্ছে না কেউই।
চেয়ারম্যান নূরের ভাষ্য, হয়তো একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে শুনবো সেন্টমার্টিন নামের দ্বীপটি আর নেই, হারিয়ে গেছে সমুদ্রে। কেননা, বর্তমানে দ্বীপে পরিবেশবিরোধী এমন কাজকর্ম হচ্ছে, তা থেকেই এমন ভয়ঙ্কর আশঙ্কা মনের মধ্যে ঘুরপাক খাচ্ছে। এমন কিছু ঘটে গেলে তা অবিশ্বাস্য কিছু হবে না।


