পাথেয় রিপোর্ট : মৌলভীবাজারের বড়লেখা উপজেলার মাধবকুণ্ডে যাওয়ার পথে পর্যটকবাহী বাস উল্টে অন্তত ২০ যাত্রী আহত হয়েছেন বলে জানা যায়। শনিবার (১২ জানুয়ারি) দুপুরে বড়লেখা উপজেলার খলাগাঁও গৌরনগর এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, মাধবকুণ্ডে ভ্রমণে আসা সুনামগঞ্জের ছাতক উপজেলার শিমুলতলা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও মন্ডলিভোগ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষিকাদের বহনকারী বাস নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে রাস্তার পাশে উল্টে যায়। এতে বাসে থাকা অন্তত ২০ যাত্রী আহত হন।
এ ঘটনায় গুরুতর আহতরা হলেন- আবু মুছা, খালেদা ইয়াসমিন, আজিজুন নাহার, খালেদ মিয়া, নাবিহা তাসনিম, হাবিবুন নাহার। অন্যান্য আহতদের মধ্যে একাধিক শিশু রয়েছে বলে জানা গেছে। তাদের নাম পাওয়া যায়নি।
বড়লেখা থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস আই) শরীফ উদ্দিন বলেন, দুর্ঘটনায় ২০ থেকে ২৫ জন পর্যটক আহত হয়েছেন। আহতদের বড়লেখা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।
এদিকে মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার কলেজছাত্র রিফাত দেওয়ান (১৭) হত্যাকাণ্ডের প্রতিবাদে মানববন্ধন বিক্ষোভ মিছিল ও ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করেছে এলাকাবাসী। শনিবার উপজেলার চর-বাউশিয়া বাসস্ট্যান্ড এলাকায় মানববন্ধনের আয়োজন করে তারা। মানববন্ধন শেষে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে অবস্থান নেয় এলাকাবাসী।
এ সময় মহাসড়ক অবরোধ করে প্রায় ১৫ মিনিট যান চলাচল বন্ধ করে রাখে তারা। এতে মহাসড়কের উভয় পাশে যানবাহন আটকা পড়ে যানজটের সৃষ্টি হয়। পরবর্তীতে স্থানীয় পুলিশ প্রশাসনের হস্তক্ষেপে মহাসড়ক থেকে সরে যায় বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। দুপুরে স্থানীয় চেয়ারম্যান মিজানুর রহমান প্রধান ও গজারিয়া থানা পুলিশের ওসি মো. হারুন অর রশীদ ঘটনাস্থলে এসে কলেজছাত্র হত্যায় জড়িতদের শাস্তির আশ্বাস দিলে বাড়ি ফিরে যায় বিক্ষুব্ধ জনতা।
ব্যাডমিন্টন খেলার কথা বলে গত রোববার (৫ জানুয়ারি) রাতে উপজেলার পোড়াচক বাউশিয়া গ্রামের বাড়ি থেকে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্র রিফাতকে ছুরিকাঘাত করে বন্ধু শিশির ও শুভ। পরদিন চিকিৎসাধীন অবস্থায় রিফাত মারা যায়। মঙ্গলবার রাতে নিহতের বাবা কামরুল দেওয়ান বাদী হয়ে শিশির দেওয়ান ও শুভ হোসেনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন। এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেফতার করতে পারেনি।


