মুসলমানদের শান্তির জন্য তৎপর মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি ও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী মাওলানা সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী ভারতে মুসলমানদের শান্তি প্রতিষ্ঠায় সদা রয়েছেন বলে জানা গেছে। ইতোমধ্যেই বিজেপি সরকারের রোষানলের শিকার হয়ে বিভিন্ন অঞ্চলে মুসলমানদের সমূহ বিপদ থেকে উত্তরণের জন্য দৌড়ঝাঁপও করছেন।
ভারতের শক্তিশালী সংখ্যালঘু শ্রেণি মুসলমানদের এমন কোনো ইস্যু নেই যেখানে সরব নন রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি ও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী। তিনি অকস্মাৎ! পশ্চিম বাংলার মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাক মোল্লার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে মুসলমানদের স্বার্থ ও রাজ্যের শান্তির জন্য পরামর্শ করেন। জানা গেছে, রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি ও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী পশ্চিম বাংলার মন্ত্রী আব্দুর রেজ্জাকের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও বর্তমান পরিস্থিতি নিয়ে আলোচনা করেন।
মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বলেন, আমরা সব বিষয়েই আলোচনার মাধ্যমে সমাধান চাই। আব্দুর রাজ্জাক সাহেব আমাদের সিনিয়র লিডার; প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর মতামতের গুরুত্ব রয়েছে।
বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার হওয়ার প্রেক্ষাপটেই বীরভূমে তৃণমূল জেলা নেতৃত্বের আচরণের প্রতিবাদে সরব হয়েছেন সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী। সেই প্রেক্ষিতেও শনিবার রেজ্জাক-সিদ্দিকুল্লা সাক্ষাৎকে তাৎপর্যপূর্ণ মনে করা হচ্ছে।
এর আগে রাজ্য জমিয়তে উলামা হিন্দের সভাপতি ও রাজ্যের গ্রন্থাগার মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লাহ চৌধুরী বাবরি মসজিদ রায়ে লালকৃষ্ণ আদবাণী, মুরলী মনোহর জোশী থেকে শুরু করে বিজেপি ও আরএসএসের নেতারা বেকসুর ঘোষিত হওয়ার ঘটনায় নিজের ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। তিনি বলেন, এর ফলে বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা নষ্ট হবে এবং তার পরিণতিতে নানা ঘটনা ঘটতে পারে।
জমিয়তের রাজ্য সভাপতি এবং রাজ্যের মন্ত্রী সিদ্দিকুল্লা চৌধুরী বুধবার বলেন, প্রকাশ্যেই আদবাণী বাবরি ধ্বংস এবং রামমন্দির বানানো নিয়ে কী বলেছিলেন, তা সকলেরই মনে আছে। তার পরেও আদালতে কারও দোষ প্রমাণিত হল না, এই ঘটনা আশ্চর্যের এবং হতাশাজনক। এ দেশের বিচারব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা এর ফলে ধাক্কা খাবে। তার জেরে নানা রকম ঘটনাই ঘটতে পারে।


