পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম: ফিলিস্তিনের অবরুদ্ধ গাজা উপত্যকায় অবিলম্বে যুদ্ধবিরতির আহ্বান জানিয়ে জাতিসংঘ নিরাপত্তা পরিষদে গতকাল প্রথমবারের মতো একটি প্রস্তাব পাস হয়েছে। ১৫ সদস্যের নিরাপত্তা পরিষদের ১৪টি দেশ প্রস্তাবের পক্ষে ভোট দিয়েছে। এরপরই গাজায় গত প্রায় ছয় মাস ধরে চলে আসা ইসরায়েলি আগ্রাসন বন্ধের আশা করা হচ্ছে। তবে যুদ্ধবিরতির প্রস্তাব পাস হওয়া সত্ত্বেও গাজায় হামলা চালানোর ঘোষণা দিয়েছে ইসরায়েল। স্থানীয় সময় সোমবার দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী ইসরায়েল কাটজ এ তথ্য জানিয়েছেন।খবর আনাদোলু এজেন্সি।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার জাতিসংঘের নিরাপত্তা পরিষদ রমজানে গাজায় যুদ্ধবিরতির দাবিতে একটি প্রস্তাব পাস করেছে। পবিত্র এ মাসটি মধ্যপ্রাচ্যে গত ১১ মার্চ থেকে শুরু হয়েছে এবং আগামী ৯ এপ্রিল শেষ হতে পারে। কাউন্সিলের ১০ জন নির্বাচিত সদস্যের উপস্থাপিত এই রেজোলিউশনের পক্ষে ১৪টি দেশ ভোট দিয়েছে। অন্যদিকে সেখানে একমাত্র দেশ হিসেবে যুক্তরাষ্ট্র ভোটদান থেকে বিরত ছিল। এছাড়া প্রস্তাবটির বিপক্ষে কোনো যুক্তি উপস্থাপন বা ভেটো ক্ষমতারও প্রয়োগ করেনি পরাশক্তি এ দেশটি।
জাতিসংঘ মহাসচিব এন্তোনিও গুতেরেস নিরাপত্তা পরিষদে গৃহীত এ প্রস্তাবকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি বলেছেন, ‘দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর নিরাপত্তা পরিষদে গাজায় যুদ্ধবিরতিসংক্রান্ত প্রস্তাব পাস হয়েছে। এটি অবশ্যই বাস্তবায়ন হতে হবে। যদি কোনো পক্ষ এ যুদ্ধবিরতি ও এর শর্তগুলো বাস্তবায়নে ব্যর্থ হয় তাহলে তা হবে ক্ষমার অযোগ্য অপরাধ।’
তবে প্রস্তাব পাসের পর সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম এক্সে কাটজ তার অ্যাকাউন্টে এক বিবৃতিতে বলেন, ‘ইসরায়েল যুদ্ধবিরতি করবে না। আমরা হামাসকে ধ্বংস করব এবং সমস্ত বন্দিদের ঘরে ফিরে না আসা পর্যন্ত লড়াই চালিয়ে যাব।’
এদিকে, জাতিসংঘে নিযুক্ত ইসরায়েলের দূত গিলাদ এরদান দাবি করেছেন, জাতিসংঘের এই প্রস্তাব গাজা থেকে ইসরায়েলি বন্দিদের মুক্তি ‘নিশ্চিত করার প্রচেষ্টাকে দুর্বল করবে’।


