যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আইনি কাঠামো তৈরি শেষ পর্যায়ে

যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার আইনি কাঠামো তৈরি শেষ পর্যায়ে

পাথেয় রিপোর্ট : একাত্তরের যুদ্ধাপরাধীদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার জন্য আইনি কাঠামো তৈরির কাজ শেষ পর্যায়ে রয়েছে বলে জানিয়েছেন আইন-বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রী আনিসুল হক।

তিনি বলেন, একাত্তরের মানবতাবিরোধী অপরাধে বিচার অব্যাহত আছে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে। যুদ্ধাপরাধী পরিবারের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার কাজ গত বছর থেকেই শুরু হয়েছে। এখন এটি চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।

বৃহস্পতিবার ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়ায় সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর ২০১০ সালে যুদ্ধাপরাধীদের বিচার শুরুর উদ্যোগ নেওয়া হলে তাদের সম্পদ বাজেয়াপ্ত করারও দাবি ওঠে সমাজের বিভিন্ন অংশ থেকে। তাতে সমর্থন দিয়ে সরকারের মন্ত্রীরা এ বিষয়ে আইন প্রণয়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে এলেও এখন পর্যন্ত তা আলোর মুখ দেখেনি।

একাত্তরে বাংলাদেশের স্বাধীনতার বিরোধিতা করে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনীকে সহায়তা করে জামায়াতে ইসলামীসহ বেশ কয়েকটি ধর্মভিত্তিক দল। রাজাকার, আলবদর, আলশামস নামে বিভিন্ন দল গঠন করে তারা ধর্ষণ, অপহরণ, নির্যাতন,অগ্নিসংযোগ, ধর্মান্তরে বাধ্য করার মত যুদ্ধাপরাধ ঘটায় সারা দেশে। সে সময় সাধারণ মানুষের ধনসম্পদও লুট করা হয়।

বিএনপির নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের শপথ না নেয়ার বিষয়ে তিনি বলেন, বিএনপি সংসদে যাওয়ার এখনও সময় আছে। তারা যে শপথ নেবে না এবং সংসদে যাবে না সরকার তা মনে করে না। আমরা মনে করি বিএনপির শুভবুদ্ধির উদয় হোক এবং তারা শপথ নিয়ে সংসদে আসুক।

নির্বাচন নিয়ে টিআইবির (ট্রান্সপারেন্সি ইন্টারন্যাশনাল অব বাংলাদেশ) গবেষণা প্রতিবেদন বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি।

৩০ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জিতে টানা তৃতীয় মেয়াদে সরকার গঠন করার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আইন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব আনিসুল হকের হাতেই রেখেছেন।

কসবায় একটি সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে যোগ দিতে বৃহস্পতিবার ট্রেনে করে ঢাকা থেকে আখাউড়ায় আসেন তিনি। সেখান থেকে সড়ক পথে যান কসবায়।

এ সময় সড়কের পাশে দাঁড়িয়ে থাকা শিক্ষার্থীরা মন্ত্রীর হাতে কাগজের নৌকা তুলে দেয়। পাশাপাশি ফুল ছিটিয়ে তাকে বরণ করা হয়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *