রমজানে ফলের বাজারে আগুন

রমজানে ফলের বাজারে আগুন

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কয়েকদিন আগেই বাজারে এসেছে দেশি ফল বাঙ্গি। খুব বেশি জনপ্রিয় না হওয়ায় এই ফলটির দাম বাজারে তুলনামূলক অনেক কম থাকে। অন্যবছর ২০ থেকে ৫০ টাকার মধ্যে একটি বাঙ্গি কিনে খাওয়া গেছে । কিন্তু এ বছর ১০০ টাকার নিচে বাজারে কোনো বাঙ্গি মিলছে না। মাঝারি মানের একটি ভালো বাঙ্গির দাম ১৫০ থেকে ২০০ টাকা।

এদিকে এক ডজন সবরি বা মানিক কলা কিনতে লাগছে ১২০ টাকা। অর্থাৎ প্রতিটি কলার দাম ১০ টাকা। এমনকি যে চিনি চাম্পা কলা আগে ৩০ টাকা ডজন বিক্রি হতে দেখা গেছে, সেই কলাও এখন ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

বিক্রেতারা বলছেন, সরবরাহ বা আমদানি কম থাকায় ফলের দাম বেড়েছে। দেশি ও আমদানিনির্ভর সব ফলেই দামে বাড়তি। এছাড়াও লকডাউনে বাড়তি পরিবহন ভাড়া গুনতে হচ্ছে তাদের।

ফলের এক দোকানদার বলেন, ‘আমদানি নেই বলে মোকামে দাম বেশি। আমরা বেশি দামে কিনছি বলে বিক্রিও করছি একটু বেশি দামেই। দাম বেশি হওয়ায় চাহিদা থাকলেও বিক্রি বাড়ছে না।’

তিনি জানান, গত ১০-১৫ দিন আগেও যে আপেল বিক্রি করেছেন ১২০ টাকা কেজি। সেগুলো এখন বিক্রি করছেন ১৬০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি দরে। দু’দিন আগে আরও বেশি ছিল দাম। মাল্টার কেজি এখন ১৮০ টাকা, যা দু’সপ্তাহ আগে ১৫০ টাকা ছিল। যে পেঁপে ৫০ থেকে ৬০ টাকা ছিল, তা এখন ১২০ টাকা। একইভাবে নাসপাতি, কমলা, কেনু, ড্রাগনসহ অন্যান্য ফলের দাম কেজিতে ৪০ থেকে ১০০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে।

বাজার ঘুরে আরও দেখা যায়, আঙ্গুরের কেজি ২৬০ টাকা, যা কয়েকদিন আগেও ছিল ২০০ টাকা। ৪০ টাকার পেয়ারা ৮০ টাকা, ২৬০ টাকার ডালিম ৪০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

এছাড়া যে তরমুজের কেজি একসপ্তাহ আগে কমে ৩০ টাকায় নেমেছিল, তা আবার বেড়ে ৪০ টাকা কেজিতে উঠেছে। ফলে মাঝারি আকারের একটি তরমুজ কিনতে আগের থেকে ৬০-৮০ টাকা বেশি লাগছে।

পাশাপাশি সবধরনের খেজুরের দাম কেজিতে ১০০ থেকে ২০০ টাকা করে বেড়েছে। ভালো মানের মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৪০০ থেকে দেড় হাজার টাকা কেজি। আর খোলা ভালো মানের খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতিকেজি ৬০০ থেকে ৯০০ টাকায়। বাজারে আড়াইশ’ টাকার নিচে কোনো ধরনের খোলা খেজুর কিনতে পাওয়া যাচ্ছে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *