রংপুর প্রতিনিধি • রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় সেনাবাহিনী মোতায়েনের দাবি করেছে বিএনপি। অপরদিকে আওয়ামী লীগ ও জাতীয় পার্টি মনে করছে সেনাবাহিনী ছাড়াও সুষ্ঠু নির্বাচন সম্ভব। নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করা হয়েছে।
এদিকে জাতীয় পার্টিও প্রার্থী চূড়ান্ত হলে আওয়ামী লীগ বিএনপির ২০ জনের বেশি প্রার্থী অপেক্ষা করছেন দলীয় সিদ্ধান্তের। তফসিল অনুযায়ী রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে আগামী ২১ ডিসেম্বর। গত রোববার দুপুরে নির্বাচন কমিশনার রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করে। ঘোষিত তফসিল অনুযায়ী, প্রার্থীদের মনোনয়নপত্র জমা দেয়া শেষ তারিখ ২২ নভেম্বর। মনোনয়পত্র যাচাই বাছাই ২৫ ও ২৬ ডিসেম্বর। মনোনয়নপত্র প্রত্যাহার করা যাবে ৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। প্রার্থীদের মধ্যে প্রতীক বরাদ্দ দেয়া যাবে ৪ ডিসেম্বর।
সেনা মোতায়েন প্রসঙ্গে মহানগর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক শহিদুল ইসলাম মিজু জানান, সরকার আমাদের মিছিল মিটিং করতে দেয় না। দলীয় কার্যালয় থেকে বের হতে দেয় না। মিছিল মিটিং করতে না পারলে দলীয় প্রচারণা কিভাবে করবো। বিগত নির্বাচনগুলোতে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির অবনতি হয়েছে। তাই সুষ্ঠু নির্বাচন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সেনাবাহিনী মোতায়েন জরুরি।
জাতীয় পার্টির মনোনীত মেয়র প্রার্থী মোস্তাফিজার রহমান মোস্তা জানান, প্রশাসনের যদি সদিচ্ছা থাকে সুষ্ঠু নির্বাচন করার তা হলে সেনাবাহিনীর প্রয়োজন হয় না। নির্বাচন কমিশন ও স্থানীয় প্রশাসন আন্তরিক থাকলে সেনাবাহিনী ছাড়া নির্বাচন সম্ভব।
রংপুর সিটি করপোরেশনের বর্তমান মেয়র আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যশী প্রার্থী সরফুদ্দিন আহমেদ ঝন্টু জানান, সেনাবাহিনী মোতায়েন করা না করার বিষয়টি সরকারের সিদ্ধান্ত। সরকার যেটা ভালো মনে করবে সেটই করবে। মহানগর আওয়ামী লীগের সংগঠনিক সম্পাদক আওয়ামী লীগের মনোনয়ন প্রত্যাশী রেজাউল ইসলাম মিলন জানান, নির্বাচন কমিশন স্বচ্ছ থাকলে সেনাবাহিনী মোতায়েনের প্রয়োজন পড়ে না। বর্তমান সরকার গণতন্ত্রে বিশ্বাসী। তাই সিটি নির্বাচনে সেনা মোতায়েনের প্রয়োজন নেই।


