রাজশাহী স্টেশনে ঘেরাও-ভাঙচুর

রাজশাহী স্টেশনে ঘেরাও-ভাঙচুর

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রাজশাহী থেকে ঢাকাগামী পদ্মা এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনে অতিরিক্ত টাকা নিয়ে দেওয়া হয়েছিল স্ট্যান্ডিং টিকেট। সেই ট্রেনটি যথাসময় বুধবার (৬ অক্টোবর) বিকেল ৪টায় ছেড়ে আসে ঢাকার উদ্দেশে। কিন্তু প্রায় এক হাজার যাত্রী টিকেট কেটেও ঢাকায় যেতে পারেনি। যাদের অধিকাংশই ছিলেন ঢাকা ফেরত শিক্ষার্থী।

জনা গেছে, তারা সকলেই রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিতে গিয়েছিলেন। পরীক্ষা শেষে বাড়ি ফেরার জন্য ট্রেনের স্ট্যান্ডেং টিকেট কেটেছিলেন এসব শিক্ষার্থীরা।

এদিকে, ঢাকায় ফিরতে না পেরে শিক্ষার্থীরা স্টেশনেই বিক্ষোভ শুরু করেন। তারা প্রতিবাদে স্টেশনের প্রধান ফটক বন্ধ করে ভাঙচুরও করের। পরে অতিরিক্ত পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ছাড়াও ওই যাত্রীদের ঢাকায় ফেরার জন্য বিকল্প ট্রেনের ব্যবস্থা করে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ে কর্তৃপক্ষ।

অপরদিকে, বিকেল ৪টায় ছেড়ে যাওয়া ট্রেনে তিল ধারণের জায়গাও ছিল না। ফলে অনেকে যাত্রীই পদ্মা এক্সপ্রেস ট্রেনের টিকেট কেটেও যেতে পারেননি।

স্টেশনে যাত্রীদের ভাঙচুর, টিসি অফিস ঘেরাও করে রেখেছে যাত্রীরা। স্টেশনের বুথ পর্যন্ত প্রায় দেড় হাজার অতিরিক্ত যাত্রী ইন্টারনেট টিকিট কাটেন। এ ছাড়া টিসিরা সিটবিহীন অতিরিক্ত টিকিট দেন। ফলে ট্রেনের টিকিট নিয়ে যাত্রীরা উঠতে পারেননি। পরে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের মহা-ব্যবস্থাপক মিহিড় কান্তি গুহ ওই যাত্রীদের পরবর্তী ট্রেনে যাওয়ার ব্যবস্থা করলে পরিস্থিতি শান্ত হয়।

এ ছাড়া খুলনা থেকে ঢাকাগামী সুন্দরবন এক্সপ্রেসে ১০৬টি আসনের একটি অতিরিক্ত কোচ লাগানো হয়েছে। সন্ধ্যার রাজশাহী থেকে ঈশ্বরদী গামী কমিউটার ট্রেনে গিয়ে ঈশ্বরদী রেল স্টেশনে পৌঁছালে খুলনা থেকে ছেড়ে আসা ওই ট্রেনে যুক্ত হয়ে যাত্রীরা ঢাকায় যেতে পারবেন।

জানতে চাইলে পশ্চিমাঞ্চল রেলওয়ের জিএম মিহিড় কান্তি গুহ বলেন, ‘রাবির পরীক্ষার জন্য হাজার হাজার শিক্ষার্থী ট্রেনযোগে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে রাজশাহীতে আসেন। পরীক্ষার শেষ দিনে তারা আবার বাড়ি ফিরতে শুরু করেন। এতেই ট্রেনে উপচে পড়া ভিড় হয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে বিকল্প ব্যবস্থা করা হয়েছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *