পাথেয় রিপোর্ট : রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চেয়ে চিঠি দিয়েছে জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট। ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বাধীন একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতি আব্দুল হামিদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে চান। আগামী সোমবার তারা সাক্ষাৎ চান বলে রাষ্ট্রপতির দফতরে এই চিঠি পাঠানো হয়েছে।
বিএনপি চেয়ারপারসনের একান্ত সচিব এ বি এম আব্দুস সাত্তারের সই করা চিঠি বৃহস্পতিবার রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানো হয়। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বিএনপি চেয়ারপারসনের মিডিয়া উইংয়ের সদস্য শায়রুল কবির খান।
দলটির একটি সূত্র জানায়, আসন্ন জাতীয় নির্বাচন সুষ্ঠু, নিরপেক্ষ করতে বিরোধী জোটের প্রার্থী, নেতাকর্মীদের ওপর হামলা, মামলা ও হয়রানি বন্ধে রাষ্ট্রপতির সাক্ষাৎ চাইবেন তারা। তফসিল ঘোষণার পর বিরোধী নেতাকর্মীদের ওপর হামলা-মামলা নিয়ে তারা রাষ্ট্রপতির কাছে প্রতিকার চাইবেন বলেও দলীয় সূত্রে জানা গেছে।
জানা গেছে, ড. কামাল হোসেনের নেতৃত্বে ১০ সদস্যের একটি প্রতিনিধি দল রাষ্ট্রপতির সঙ্গে দেখা করতে চান।
এ ব্যাপারে শায়রুল কবির খান গণমাধ্যমকে জানান, ১৩ ডিসেম্বর জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের আহ্বায়ক ড. কামাল হোসেন সাক্ষাৎ চেয়ে রাষ্ট্রপতি বরাবর একটি চিঠি দেন। কিন্তু এখনও রাষ্ট্রপতির দপ্তর থেকে কোনো সাড়া পাওয়া যায়নি।
এদিকে গণফোরাম সভাপতি ও জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের নেতা ড. কামাল হোসেনের সাংবাদিকদের অবমাননাকারী বক্তব্য ও হুমকির প্রতিবাদে শনিবার মানববন্ধন করবে মুক্তিযুদ্ধের চেতনার সাংবাদিক ফোরাম।
শনিবার (১৫ ডিসেম্বর) সকাল ১১টায় জাতীয় প্রেসক্লাবের সামনে এ মানববন্ধন কর্মসূচি পালন করা হবে বলে সংগঠনটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
এর আগে (১৪ ডিসেম্বর) শুক্রবার সকালে সাংবাদিকরা প্রশ্ন করলে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের ভর্ৎসনা করেন এবং অসম্মানের সঙ্গে কথা বলেন।
এদিন সকালে শহীদ বুদ্ধিজীবী স্মৃতিসৌধে শ্রদ্ধা নিবেদন করতে যান ড. কামাল হোসেন। এ সময় সাংবাদিকরা ‘আগামী নির্বাচনে জামায়াত প্রশ্নে ঐক্যফন্টের অবস্থান’ জানতে চাইলে ড. কামাল হোসেন সাংবাদিকদের র্ভৎসনা করেন এবং অসম্মানের সঙ্গে উল্টো জিজ্ঞাসা করেন ‘কতো টাকা পেয়েছো? কাদের টাকায় এসব বেহুদা প্রশ্ন করছো, তোমার নাম কী? দেখে নেবো, কোন টিভি/পত্রিকায় কাজ করো, চিনে রাখব’। এই মর্মে হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। যা বাংলাদেশের কোটি কোটি দর্শক দেখেছেন।
এসময় তিনি প্রশ্নকারী সাংবাদিকের নাম পরিচয় জানতে চাওয়ার পাশাপাশি তাকে ‘খামোশ’ বলে ধমক দেন। প্রশ্নকারী সাংবাদিকদের ‘চিনে রাখার’ কথাও বলেছেন প্রবীণ এই রাজনীতিবিদ।


