রিক্রুটে ফায়ারিংয়ে প্রথম হাসিনা আক্তার

রিক্রুটে ফায়ারিংয়ে প্রথম হাসিনা আক্তার

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : বিজিবির ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণে ফায়ারিংয়ে হাসিনা আক্তার বিথি নামে এক সিপাহি প্রথম হওয়ায় তাকে বিশেষভাবে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

শনিবার চট্টগ্রামের সাতকানিয়ায় বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজের (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি) বীর উত্তম মজিবুর রহমান প্যারেড গ্রাউন্ডে বিজিবির ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অনুষ্ঠানে বক্তব্যর সময় প্রধানমন্ত্রী তাকে এ শুভেচ্ছা জানান।

এসময় প্রধানমন্ত্রী বলেন, মেয়েরাও ভালো কাজ করছে। তার নামের সাথে আমার নাম মিল রয়েছে।

প্রধানমন্ত্রী দুই হাজার ৫২৪ জন সৈনিকের মাঝে প্রধানমন্ত্রী বিশেষ শুভেচ্ছা পাওয়ার পর অনুভূতি বিথি বলেন, প্রধানমন্ত্রী আমাকে শুভেচ্ছা জানানোয় আমার ভালো লাগছে। প্রধানমন্ত্রী আজ ভার্চুয়ালি আমাকে শ্রেষ্ঠ ফায়ারিং হিসাবে পুরস্কার তুলে দিয়েছেন, এতে আমি আনন্দিত।করোনা না থাকলে হয়তো প্রধানমন্ত্রী নিজে উপস্থিত থেকে আমার হাতে পুরস্কার তুলে দিতেন। আরো ভালো কাজ করে ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রীর হাত থেকে পুরস্কার নিতে চাই।

তিনি বলেন, আমার বড় ভাইয়ের অনুপ্রেরণায় আমি বিজিবিতে যোগ দিয়েছি। মনে আনন্দ রেখে আমি কাজ করছি। দেশের সীমান্ত রক্ষায় আমি কাজ করবো।

উল্লেখ্য, গত ১৪ জুন বর্ডার গার্ড ট্র্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের মৌলিক প্রশিক্ষণ শুরু হয়। বর্ডার গার্ড ট্রেনিং সেন্টার অ্যান্ড কলেজে (বিজিটিসিঅ্যান্ডসি)ত প্রশিক্ষণ নেয়া মোট ৭৯১ জন রিক্রুটের মধ্যে ৫৯০ জন পুরুষ ও ২০১ জন নারী। বিজিটিসিঅ্যান্ডসি ছাড়াও আরও ছয়টি প্রশিক্ষণ ভেন্যুতে ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের এক হাজার ৭৩৩ জন রিক্রুটসহ সর্বমোট দুই হাজার ৫২৪ জন রিক্রুট মৌলিক প্রশিক্ষণ সম্পন্ন করেন। দীর্ঘ ২৪ সপ্তাহের অত্যন্ত কঠোর ও কষ্টসাধ্য এ প্রশিক্ষণ সফলভাবে শেষ করে আনুষ্ঠানিক শপথগ্রহণ ও সমাপনী কুচকাওয়াজের মাধ্যমে তাদের সৈনিক জীবনের শুভ সূচনা হলো।

৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের প্রশিক্ষণ সমাপনী কুচকাওয়াজে অভিবাদন গ্রহণ শেষে প্রধানমন্ত্রী নবীন সৈনিকদের উদ্দেশ্যে বিভিন্ন উপদেশ ও দিকনির্দেশনামূলক ভাষণ প্রদান করেন। ভাষণের শুরুতে তিনি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে গভীর শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন। একইসঙ্গে তিনি মহান স্বাধীনতাযুদ্ধে জীবন উৎসর্গকারী বিজিবির ৮১৭ জন অকুতোভয় বীর বিশেষ করে বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্সনায়েক মুন্সি আব্দুর রউফ, বীর শ্রেষ্ঠ ল্যান্সনায়েক নুর মোহাম্মদ শেখ এবং মুক্তিযুদ্ধে অনন্য অবদানের জন্য এ বাহিনীর আটজন বীর উত্তম, ৩২ জন বীরবিক্রম ও ৭৭ জন বীর প্রতীককে শ্রদ্ধাভরে স্মরণ করেন।

প্রধানমন্ত্রী নবীন সৈনিকদের নতুন জীবনে পদার্পনের শুভলগ্নে তাদের স্বাগত জানান। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে মহাপরিচালক কুচকাওয়াজ অনুষ্ঠান শেষে ৯৫তম রিক্রুট ব্যাচের সেরা চৌকস রিক্রুট হিসেবে প্রথম স্থান অধিকারী রিক্রুট (জিডি) মো. খোকন মোল্লার হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *