নিজস্ব প্রতিবেদক ● বিশ্বের ধর্মীয় নেতাদের রোহিঙ্গা সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলমার চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বলেন, বাংলাদেশ সরকার রোহিঙ্গাদের আশ্রয়ের ক্ষেত্রে যে নজীর রেখেছে তা অতীব প্রশংসনীয়। বাংলাদেশ সবসময়ই রোহিঙ্গাদের পাশে দাঁড়িয়েছে। পৃথিবী ইতিহাসে যেকোনো শরণার্থী শিবিরের তুলনায় সুযোগ সুবিধার দিক থেকে পিছিয়ে থেকেও সবসময় মুসলিম এই জনগোষ্ঠীর পাশে দাঁড়িয়েছে। এটা যেমন মানবিকতা তেমনি ইসলাম ও মুসলমানদের প্রতি একটি দরদি চেতনাও।
এ ক্ষেত্রে বাংলাদেশকে সবধরনের সতর্ক অবস্থান নেয়ারও আহ্বান জানান তিনি।
শনিবার দুপুরে সৌদী আরব থেকে এক টেলিবার্তায় তিনি এই আহ্বান জানান। তিনি বলেন, অতীতের মতো জামাত-শিবির-জঙ্গি চক্র কোনোভাবেই রোহিঙ্গাদের বিপদগ্রস্ত না করতে পারে। অশান্তি, জঙ্গিপনা সৃষ্টির জন্যও তারা যেনো রোহিঙ্গাদের ব্যবহার করতে না পারে। সে বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
আল্লামা মাসঊদ বলেন, আরাকান ও রাখাইন রাজ্যে গণহত্যা চালিয়ে মিয়ানমার শাক দিয়ে মাছ ঢাকার চেষ্টা করছে। সু চিকে সতর্ক করে তিনি বলেন, এর পরিণাম ভালো হবে না। যুগ যুগ ধরে চলতে থাকা এই অত্যাচারের বিপরীতে ভয়াবহ কোনো পরিস্থিতি অপেক্ষা করছে সু চির জন্য।
জাতিসংঘকে রাখাইনে শান্তি ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে আল্লামা মামাসঊদ বলেন, পৃথিবীতে শান্তি প্রতিষ্ঠার জন্য জাতিসংঘ। মিয়ানমারে যুগ যুগ ধরে এই নিপীড়ন চলতে দেয়া যায় না। এখনই এ বিষয়ে জাতিসংঘকে শান্তির উদ্যোগ গ্রহণ করতে হবে।
বিশ্বের আলেম নেতাদের রোহিঙ্গা সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়ে মাওলানা মাসঊদ বলেন, পৃথিবীর প্রতিটি দেশের সাধারণ জনগণকে আলেমগণই পারেন রোহিঙ্গা সহযোগিতায় এগিয়ে আসার আহ্বান জানাতে। রোহিঙ্গা শিবিরে প্রয়োজন প্রচুর পরিমাণের খাদ্য, পানীয়, ওষুধ ইত্যাদি। লাখো লাখো মানুষের সেবায় আলেমদেরই সবার আগে এগিয়ে আসা উচিত।
সচির সমালোচনা করে আল্লামা মাসঊদ বলেন, নোবেল দিয়ে তাকে কোনো ব্লাঙ্ক চেক দিয়ে দেয়া হয়নি যে সে যা ইচ্ছা তা-ই করবে।


