পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : দেশে করোনাভাইরাস সংক্রমণ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের জন্য বিভিন্ন এলাকাকে লাল, সবুজ ও হলুদ এই তিন কালার তিন ভাগে ভাগ করে জোনভিত্তিক লকডাউন করেছে সরকার। ইতিমধ্যে কোথায় কী ধরনের অঞ্চল হবে সে ব্যাপারে বিস্তারিত রোডম্যাপ তুলে ধরা হয়েছে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইটে।
করোনা রোগী শনাক্তের হার অনুযায়ী লাল, হলুদ ও সবুজ জোনে ভাগ করা হয়েছে। তবে লাল, হলুদ ও সবুজ এই রঙ দিয়ে এলে কী বোঝানো হয়েছে তা অনেকেই জানেন না।
লাল জোন : অত্যন্ত ঝুঁকিপূর্ণ এলাকাকে রেড জোন হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে। এসব এলাকায় করোনা আক্রান্তের হার অনেক বেশি। এসব এলাকায় লাখে ৩০ জনের বেশি সংক্রমিত ব্যক্তি থাকবেন। ওই এলাকা পুরোপুরি লকডাউন থাকবে। বিশেষ প্রয়োজন ছাড়া কেউ বাড়ির বাইরে যেতে পারবে না। জরুরি সেবাদান ছাড়া সব ধরনের প্রতিষ্ঠান বন্ধ থাকবে।
হলুদ জোন : রেড জোনের তুলনায় অনেক কম সংক্রমণ থাকলে হলুদ জোনে। লাখে ৩ থেকে ২৯ জন সংক্রমিত থাকলে সেই এলাকা হলুদ জোন হিসেবে চিহ্নিত হবে।
সবুজ জোন : ১৪ দিনের মধ্যে কোনো এলাকা বা জেলায় নতুন করে করোনা আক্রান্ত রোগী পাওয়া না গেলে ওই জেলাকে সবুজ জোন বলা হবে। তবে এ তিন জোনের প্রত্যেকে মাস্ক পরা, সামাজিক দূরত্ব মেনে চলা ও স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণ করতে হবে।


