শিশুর মতো গোনাহমুক্ত হওয়ার উপায়

শিশুর মতো গোনাহমুক্ত হওয়ার উপায়

পাথেয় টোয়েন্টিফের ডটকম : সদ্য ভূমিষ্ট শিশুর মতো নিষ্পাপ বা গোনাহমুক্ত হওয়ার অনেক আমল রয়েছে। এসব আমলের বর্ণনায় কুরআন-সুন্নায় নামাজ আদায়, নামাজে বিশেষ দোয়াসহ অনেক উপায় উল্লেখ করা হয়েছে। তন্মধ্যে একটি হলো বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজ আদায় করা।

দুনিয়ার বুকে তিনটি মসজিদে নামাজ পড়ার বিশেষ ফজিলত রয়েছে। অনেকেরই তা জানেন। কিন্তু বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজ পড়ার বিশেষ একটি ফজিলত রয়েছে, যা অনেকেই জানেন না।

পয়গাম্বর সুলাইমান আলাইহিস সালাম আল্লাহর কাছে বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ শেষে এ দোয়া করেছিলেন। আল্লাহ তাআলা পয়গাম্বরদের দোয়া কবুল করেন। ঠিক পয়গাম্বর হজরত সুলাইমান আলাইহিস সালামও আল্লাহর কাছে ৩টি দোয়া করেছিলেন। যা আল্লাহ তাআলা কবুল করে নেন। হাদিসে এসেছে-

হজরত আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রাদিয়াল্লাহু আনহু বর্ণনা করেন, (পয়গাম্বর) সুলাইমান ইবনে দাউদ আলাইহিস সালাম যখন বায়তুল মুকাদ্দাস নির্মাণ করলেন, তখন তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে তিনটি জিনিস চাইলেন। তাহলো-

১. তিনি যেন সবসময় এমন ফয়সালা করেন, যা মহান আল্লাহর ফয়সালার মতোই হয়। এটা তাকে প্রদান করা হয়।

২. তাকে যেন এমন বিশাল রাজ্য প্রদান করা হয়; যার অধিকারী তার পরবর্তী সময়ে আর কাউকে দেয়া না হয়। এটাও তাকে দেয়া হলো।

৩. আর যখন তিনি মসজিদ (বায়তুল মুকাদ্দাস) নির্মাণের কাজ শেষ করলেন; তখন তিনি আল্লাহ তাআলার কাছে এ মর্মে দোয়া করলেন, যে ব্যক্তি তাতে নামাজের জন্য আগমন করবে, তাকে যেন পাপ থেকে ঐদিনের মত মুক্ত করে দেয়া হয়, যেদিন সে তার মায়ের পেট থেকে ভূমিষ্ঠ হয়েছিল।’ (ইবনে মাজাহ, নাসাঈ)

এ হাদিস থেকে বেশ কিছু বিষয় প্রমাণিত। তাহলো-

১. দোয়া বা কামনা করতে হবে আল্লাহর কাছে।

২. আল্লাহর কাছে দোয়া করলে তিনি তা কবুল করে নেন।

৩. বায়তুল মুকাদ্দাসে নামাজ পড়লে মানুষ বিশেষ সাওয়াব ও ফজিলত ছাড়াও নামাজ আদায়কারী ব্যক্তি সদ্য ভূমিষ্ট নিষ্পাপ শিশুর মতো গোনাহমুক্ত হয়ে যায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *