পাথেয় রিপোর্ট : আশাটা জেগেই ছিলো। ভক্তরা তো খুব করে চাইছিলেনই সেঞ্চুরিটা হোক বিশ্বসেরা অলরাউন্ডারের। কিন্তু আশা জাগিয়েও টেস্ট ক্যারিয়ারে ষষ্ঠ সেঞ্চুরি করতে পারলেন না সাকিব। ৮০ রান করে সাজঘরে ফিরতে হলো তাকে।
দারুণ খেলছিলেন সাকিব আল হাসান। রীতিমতো প্রতিপক্ষ বোলারদের শাসাচ্ছিলেন। তবে হঠাৎই খেই হারালেন। প্রথম ইনিংসে দলীয় স্কোর ৩০০ রান পূর্ণ হওয়ার পরপরই কেমার রোচের বলে গালিতে শাই হোপকে ক্যাচ দিয়ে ফিরলেন তিনি। ফেরার আগে ৬ চারে ৮০ রানের ঝলমলে ইনিংস খেললেন বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার।
এর আগে শনিবার সকালে ঢাকা টেস্টের দ্বিতীয় দিন শনিবার প্রথম ইনিংসে ফের ব্যাটিংয়ে নামে বাংলাদেশ। ৫ উইকেটে ২৫৯ রান করা বাংলাদেশের ইনিংসকে আরো সামনে এগিয়ে নিতে ব্যাট হাতে নামেন সাকিব আল হাসান ও মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ।
শুক্রবার প্রথম দিনের খেলা শেষে সাকিব ৫৫ ও মাহমুদউল্লাহ ৩১ রান নিয়ে অপরাজিত ছিলেন। সেখান থেকেই শনিবার তারা খেলা শুরু করেন। সাকিব কিছুটা দ্রুততার সঙ্গে খেললেও শেষ পর্যন্ত আউট হয়ে যান।
প্রথম দিনে টস জিতে বাংলাদেশ শুরুতে ব্যাট করার সিদ্ধান্ত নেয়। সাদমান ইসলামের ৭৬ ও সাকিব আল হাসানের হাফসেঞ্চুরিতে দিনশেষে বাংলাদেশের স্কোর দাঁড়ায় ৫ উইকেটে ২৫৯ রান। এছাড়া মুমিনুল হক ও মোহাম্মদ মিঠুন করেন ২৯ রান করেন।
দুই ম্যাচ সিরিজের প্রথম ম্যাচে বাংলাদেশ জিতেছে। চট্টগ্রামে অনুষ্ঠিত ওই টেস্টে বাংলাদেশ জয় পায় ৬৪ রানে। তাই সিরিজে বাংলাদেশ এগিয়ে আছে ১-০ ব্যবধানে। এখন ঢাকা টেস্টে জয় বা ড্র’ই সিরিজ জয়ে জয়ে বাংলাদেশের জন্য যথেষ্ট হবে।
প্রথম ইনিংসে ৪০০ করতে পারলেই ওয়েস্ট ইন্ডিজকে চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দেয়া যাবে। সেই প্রত্যয় নিয়ে ব্যাটিং শুরু করেন তারা।ধীরে ধীরে সেই লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যাচ্ছিল টাইগাররা।দলকে টেনে নিয়ে যাচ্ছিলেন সাকিব-মাহমুদউল্লাহ।
ইতিমেধ্য মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ ও তার ক্যারিয়ারের ১৬ তম হাফ সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন। এই রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত ৫১ রান করে অপরাজিত আছেন তিনি। তাকে সঙ্গ দিচ্ছে ভাগ্য খুলে যাওয়া লিটন দাশের।
বাংলাদেশ একাদশ : সাকিব আল হাসান, সৌম্য সরকার, সাদমান ইসলাম, মুমিনুল হক, মুশফিকুর রহিম, মাহমুদউল্লাহ, লিটন দাস, মেহেদী হাসান মিরাজ, মোহাম্মদ মিঠুন, তাইজুল ইসলাম, নাঈম হাসান।
ওয়েস্ট ইন্ডিজ একাদশ : ক্রেইগ ব্র্যাথওয়েট, কাইরন পাওয়েল, শেই হোপ, সুনিল আমব্রিস, রোস্টন চেইস, শিমরন হেটমায়ার, শেন ডাওরিচ, দেবেন্দ্র বিশু, জোমেল ওয়ারিক্যান, শারমন লুইস, কেমার রোচ।


