সাগরে লঘুচাপ, ঘূর্ণিঝড়ের সম্ভাবনা
পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : করোনা থাবার মধ্য দিয়েও এবার আবহাওয়াও ভিন্নরকম আচরণ করে যাচ্ছে। বঙ্গোপসাগরে দেখা দিয়েছে লঘুচাপ। হতে পারে ভয়াবহ ঘূর্ণিঝড়ও।
বুধবার দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর এবং এর সংলগ্ন দক্ষিণ আন্দামান সাগরে একটি লঘুচাপ সৃষ্টি হয়েছে। ধাপে ধাপে এটি ঘনীভূত ও শক্তি সঞ্চয় করে নিম্নচাপে পরিণত হয় কিনা তা পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে।
এখনও সমুদ্র স্বাভাবিক থাকায় বন্দরসমূহকে কোনো সতর্কতা সঙ্কেত দেখাতে বলা হয়নি।
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট ঘূর্ণিঝড় সাদৃশ্য বায়ু আবর্তন ঘনীভূত হচ্ছে একটি নিম্ন চাপ এলাকায়। যা দক্ষিণ-পূর্ব বঙ্গোপসাগর ও সংযুক্ত মধ্য বঙ্গোপসাগরে অবস্থান করছে। বিভিন্ন স্যাটেলাইট ইমেজে এটির উন্নতি লক্ষ করা যাচ্ছে। এর ৫০ কিলোমিটারের মধ্যে বাতাসের গতি ঘণ্টায় ৩০ কিলোমিটার, যা ৪০ কিলোমিটার পর্যন্ত বাড়ছে।
আগেই জানানো হয়েছিল, চলতি মে মাসে বঙ্গোপসাগরে এক বা দুটি নিম্নচাপ সৃষ্টি এবং এর মধ্যে একটি ঘূর্ণিঝড়ে পরিণত হওয়ার আশঙ্কার রয়েছে। এদিকে উপকূলীয় অঞ্চলে হঠাৎ তাপপ্রবাহ ও উপকূলে ভ্যাপসা গরম সমুদ্রে ঘূর্ণিঝড়ের আলামত বহন করছে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বৈশাখের ৩১তম দিনে বৃহস্পতিবার দেশের অনেক এলাকায় তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। বুধবার বিক্ষিপ্ত হালকা থেকে মাঝারি বর্ষণ ও গুঁড়িবৃষ্টি হয়েছে ঢাকা, চট্টগ্রাম, সিলেট ও খুলনা বিভাগে।
বুধবার সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ঈশ্বরদীতে ৩৭দশমিক৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস। ১৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাতের পরও ঢাকার তাপমাত্রা ছিল সর্বোচ্চ ৩৫দশমিক৪ এবং সর্বনিম্ন ২৮দশমিক১ ডিগ্রি সে.। ভ্যাপসা গরমের দাপটে দুর্বিষহ রাজধানীর স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। গরমে-ঘামে হাঁপাচ্ছে মানুষ।
তাপমাত্রা বৃদ্ধির সঙ্গে বাতাসে আর্দ্রতাও বাড়ছে। বুধবার সন্ধ্যায় ঢাকায় আর্দ্রতা ছিল ৯৫ শতাংশ। এর ফলে ভ্যাপসা অসহনীয় গরমে ঘামছে মানুষ।
এদিকে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টার পূর্বাভাসে আবহাওয়া বিভাগ জানিয়েছে, দেশের কিছু কিছু স্থানে অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বিচ্ছিন্ন বৃষ্টি হতে পারে। কোথাও কোথাও শিলাবৃষ্টি হতে পারে। সারাদেশে তাপমাত্রা অপরিবর্তিত থাকারই সম্ভাবনা রয়েছে। এ সপ্তাহের শেষে বৃষ্টি-বজ্রবৃষ্টি হতে পারে।


