সিটি নির্বাচনে ইসলামী দলের আশাবাদ কতটুকু?

সিটি নির্বাচনে ইসলামী দলের আশাবাদ কতটুকু?

সিটি নির্বাচনে ইসলামী দলের আশাবাদ কতটুকু?

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম :: আবারও ঢাকা সিটি করপোরেশনের দুই সিটিতে মনোনয়ন পাওয়ার প্রত্যাশা করছেন ঢাকার দুই বর্তমান মেয়র। ঢাকা উত্তর ও দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষণা করেছে নির্বাচন কমিশন। ইতোমধ্যেই ঢাকা সিটিতে তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে। দুই ঢাকার ইসলামী বাংলাদেশের দুই মেয়রের আলোচনাও ওঠে এসেছে। আগামী ৩০ জানুয়ারি হবে রাজধানীর দুই সিটির বহুল প্রত্যাশিত নির্বাচন। দুই সিটিতে এবার সম্পূর্ণ ভোট গ্রহণ হবে ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিনে। তফসিল অনুযায়ী মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ দিন ৩১ ডিসেম্বর, মনোনয়নপত্র যাচাই-বাছাই ২ জানুয়ারি এবং প্রত্যাহারের শেষ দিন ৯ জানুয়ারি।

রবিবার নির্বাচন ভবনে এক সংবাদ সম্মেলনে ঢাকার দুই সিটি নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার কে এম নূরুল হুদা। দুই সিটির নির্বাচনে মেয়র প্রার্থীরা দলীয় প্রতীকে ভোট করতে পারবেন, তবে সাধারণ কাউন্সিলর ও সংরক্ষিত আসনের কাউন্সিলর পদে ভোট হবে নির্দলীয় প্রতীকে। আগামী বছর মে মাসের প্রথমার্ধের মধ্যে এ দুই সিটি করপোরেশনে নির্বাচন আয়োজনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। এর পাশাপাশি এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার বিষয়টি বিবেচনায় রেখে ভোটের তারিখ নির্ধারণে রবিবার দুপুর আড়াইটায় নির্বাচন ভবনে এ-সংক্রান্ত সভায় বসে ইসি।

সভা শেষে নির্বাচন কমিশনার মাহবুব তালুকদার, রফিকুল ইসলাম, কবিতা খানম, শাহাদাত হোসেন চৌধুরী ও ইসির সিনিয়র সচিব মো. আলমগীরকে নিয়ে মিডিয়া সেন্টারে সংবাদ সম্মেলন করেন প্রধান নির্বাচন কমিশনার। ঢাকার দুই সিটি করপোরেশনের নির্বাচনী তফসিল ঘোষিত হওয়ায় যারা আগাম প্রচারণামূলক পোস্টার-বিলবোর্ড টাঙিয়েছেন তাদের মঙ্গলবারের মধ্যে নিজ উদ্যোগে তা নামিয়ে ফেলতে হবে। এ ব্যাপারে কেউ ব্যর্থ হলে তার বিরুদ্ধে আইনগত পদক্ষেপ নেবে ইসি। আসন্ন সিটি নির্বাচনে প্রধান দুই দল আওয়ামী লীগ ও বিএনপি ‘বিনা যুদ্ধে নাহি দিব সূচগ্রমেদিনী’ পণে অংশ নিতে যাচ্ছে।

মেয়র পদে ক্ষমতাসীন দল আওয়ামী লীগ বর্তমান দুই মেয়রকেই তাদের প্রার্থী করবে এমন আভাস মিলেছে। বিএনপি উত্তর ও দক্ষিণ ঢাকায় তাবিথ আউয়াল ও ইশরাক হোসেনকে প্রার্থী করার গ্রিন সিগন্যাল দিয়েছে। সংসদ নির্বাচনের পর ঢাকার দুই সিটি নির্বাচন কেন্দ্র করে দেশের দুই প্রধান রাজনৈতিক দল শক্তি পরীক্ষার প্রস্তুতি নিচ্ছে। সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও গ্রহণযোগ্য ভোটযুদ্ধের মাধ্যমে প্রকৃত অর্থে গণতন্ত্রের বিজয় ঘটবে- আমরা এমনটিই দেখতে চাই। দেশে ইসলামী দলের অভাব নেই। প্রকাশ্যে ইসলামী আন্দোলনসহ দুয়েকটি দলছাড়া বাকি সবই অন্যান্য দলের ভেতরে আত্মীকরণ অবস্থায় আছে।

খোলসমুক্ত হয়ে নিজেদে পরিচয়ে কখন তারা দাঁড়াবে তা নিয়ে সংশয় আছেই। তবে সিটি নির্বাচনে তাদের নিয়ে আপাত কোনো আশাবাদ নেই। দূর থেকে কড়া নাড়ছে চরমোনাই পীর। তিনি ইসলামী দলগুলোর একটা বার্তা দিতে সক্ষম হয়েছেন। আলোচনায় তারা বরাবরের মতো এবারও আছে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *