সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে মাঠে নামছে বাংলাদেশ

ক্রীড়া ডেস্ক : টেস্টে সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ১১ নভেম্বর শনিবার জিম্বাবুয়ের বিরুদ্ধে মাঠে নামছে বাংলাদেশের টাইগাররা। মিরপুর শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে সকাল সাড়ে নয়টায় শুরু হবে ম্যাচটি।

সিলেটে প্রথম টেস্টে জিম্বাবুয়ের কাছে হারটা সাম্প্রতিক সময়ে বাংলাদেশের ক্রিকেটে সবচেয়ে বড় হতাশার অধ্যায়। দুই ম্যাচের সিরিজে ১-০ তে পিছিয়ে এখন ভীষণ চাপে বাংলাদেশ। আর তাতেই দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার অবস্থা স্বাগতিকদের। সিরিজ হার এড়াতে দ্বিতীয় টেস্টে জয়ের বিকল্প নেই বাংলাদেশের সামনে।

বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদউল্লাহ রিয়াদ বলেছেন, মিরপুর টেস্টে জয় পেতে নিজেদের সেরাটা নিংড়ে দিতে চায় বাংলাদেশ। ব্যাটিং দুর্দশা কাটিয়ে প্রতিপক্ষকে শক্তভাবে জবাব দিতে চান মাহমুদউল্লাহ-মুশফিকরা। গতকাল ম্যাচ পূর্ব সংবাদ সম্মেলনে মাহমুদউল্লাহ বলেন, ‘আমাদের এখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যাওয়ার মত অবস্থা। আমাদের শক্তভাবে ফিরে আসতে হবে। এখানে অন্য কোন সুযোগ নেই।

বাংলাদেশ দল: লিটন দাস, ইমরুল কায়েস, মুমিনুল হক, মোহাম্মদ মিঠুন, মাহমুদউল্লাহ, মুশফিকুর রহিম, আরিফুল হক, মেহেদী হাসান মিরাজ, তাইজুল ইসলাম, মোস্তাফিজুর রহমান ও খালেদ আহমেদ।

জিম্বাবুয়ে একাদশ: হ্যামিল্টন মাসাকাদজা, ব্রায়ান চারি, ব্রেন্ডন টেইলর, শন উইলিয়ামস, সিকান্দার রাজা, পিটার মুর, রেজিস চাকাভা, ব্র্যান্ডন মাভুটা, কাইল জার্ভিস, ওয়েলিংটন মাসাকাদজা, টেন্ডাই চাটারা।

জিম্বাবুয়ের কাছে সিরিজ হারের লজ্জা এড়াতে দলের সবাই একাট্টা। অধিনায়ক বলেন, ‘আমার মনে হয় আমাদের দেশের প্লেয়াররা সবসময় সামর্থ্যের ১০০ ভাগ দিয়েই খেলে। এই টেস্টে আমরা ১২০ ভাগ দিয়ে খেলব।’ সিলেটের মতো মিরপুরেও টস গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। টস জিতলে আগে ব্যাটিং করতে চান মাহমুদউল্লাহ। উইকেটের আচরণ, কন্ডিশন বিবেচনায় আজ বাংলাদেশের একাদশে থাকতে পারে কয়েকটি পরিবর্তন। গতকাল সংবাদ সম্মেলনে অধিনায়ক এমনই আভাস দিয়েছেন।

উল্লেখ্য, সিলেট আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামে প্রথম টেস্টে বাংলাদেশকে ১৫১ রানের বিশাল ব‌্যবধানে হারিয়েছিল হালের খর্বশক্তি হয়ে পড়া দল জিম্বাবুয়ে। নিজেদের ওপর থেকেই বিশ্বাস হারিয়ে ফেলতে শুরু করেছিল জিম্বাবুয়ে। তিন ধরনের ক্রিকেটে টানা ১৯ ম্যাচ হারার পর অবশেষে জয় পেয়েছিল তারা! এ বছর সর্বশেষ ১৩ ওয়াডেতে তারা জেতেনি, আর টেস্টে তো জেতেনি গত ৫ বছর ধরেই। ১৫১ রানের বিশাল এই জয়ে ১৭ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটল বাংলাদেশের ক্রিকেটের অকৃত্রিম বন্ধ দেশটির। ২০০১ সালে সর্বশেষ দেশের বাইরে টেস্ট ম্যাচ জিতেছিল ১৯৯২ সালে নিজেদের অভিষেক টেস্টে ভারতের মতো শক্তিশালী দলের সঙ্গে ড্র করা জিম্বাবুয়ে।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *