পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে নজর দিতে হবে সুষম খাবারের দিকে। খাদ্য তালিকায় অবশ্যই রাখতে হবে ভিটামিন, খনিজ ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট, যা রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে বাড়িয়ে দেয়।
- সবুজ শাক-সবজি
পালংশাক, পুঁইশাক, ডাঁটাশাক, কচুশাক, শজনেশাক, করলা, ব্রুকলি, ক্যাপসিকাম, লাউ, মিষ্টিকুমড়া, গাজর, ঢেঁড়স প্রভৃতি সবজি গ্রহণে শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়।
- আমিষ
ডিম, মাছ, ডাল, শিমের বিচি, কুমড়ার বিচি ও বাদামের মতো আমিষজাতীয় খাবারে রয়েছে বিভিন্ন উপকারী ভিটামিন ও মিনারেল।
মাংসে থাকা কার্নোসিন রক্তকে পরিষ্কার করে এবং ফ্রি রেডিক্যাল ও যেকোনো ধরনের ইনফেকশন থেকে দেহকোষগুলোকে রক্ষা করে।
প্রবায়োটিকস
টক দই, ঘোল, ছানা—এগুলো প্রবায়োটিকস হিসেবে পরিচিত, যা পাকস্থলীতে উপকারী ব্যাকটেরিয়ার সংখ্যা বৃদ্ধি করে।
- প্রোটিন
দেহের ইমিউনিটি বাড়ায় প্রোটিনসমৃদ্ধ মাছ, মাংস, দুধ, ডিম। এর পাশাপাশি দুই ধরনের ডালমিশ্রিত খিচুড়ি খান নিয়মিত।
- গ্রিন টি
গ্রিন টিতে ক্যাটেচিন নামক অ্যান্টি-অক্সিডেন্ট আছে, যা দেহের জন্য উপকারী এবং অন্যান্য চায়ের তুলনায় গ্রিন টিতে ক্যাটেচিনের পরিমাণ বেশি। রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধির পাশাপাশি মেটাবলিজম বৃদ্ধি করে এবং দেহের অতিরিক্ত চর্বি কমাতে সাহায্য করে।
- ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড
ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড জাতীয় খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর পাশাপাশি হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমায়। যেমন সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম, ডিম, আখরোট, অলিভ অয়েল, মাছের তেল ইত্যাদিতে ওমেগা-৩ ও ওমেগা-৬ ফ্যাটি এসিড আছে।
- ভিটামিন-ডি
ভিটামিন-ডি যুক্ত খাবার রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়। ক্যালসিয়াম হাড় ও দাঁত মজবুত করে। ক্যালসিয়ামজাতীয় খাবার হলো দুধ, পনির, দই, মাখন, সামুদ্রিক মাছ, কাঠবাদাম, পালংশাক, ডিম, মুরগির মাংসের হাড়, নিহারি, শুঁটকি মাছ ইত্যাদি?
- ভিটামিন-কে
ভিটামিন-কে জাতীয় খাবার করোনাভাইরাস প্রতিরোধে সক্ষম। আমেরিকায় এক গবেষণায় দেখা গেছে যারা করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে তাদের বেশির ভাগের দেহে ভিটামিন-কে-এর অভাব ছিল। সবুজ শাক-সবজি, টমেটো, শসা, ফুলকপি, ধনেপাতা, ব্রুকলি, বাঁধাকপি, শক্ত পনির ইত্যাদিতে ভিটামিন-কে আছে।
- মসলা
আদা, গোলমরিচ, পেঁয়াজ ও রসুনের মতো মসলার মধ্যে কার্মিনেটিভ, অ্যান্টি মাইক্রোবায়াল, অ্যান্টিসেপটিক এবং অ্যান্টিবায়োটিক জাতীয় পদার্থ মজুদ রয়েছে।
- পরিহার করুন
কোমল পানীয় বা কার্বোনেটেড ড্রিংক, অ্যালকোহল, বিড়ি, সিগারেট, তামাক প্রভৃতি থেকে দূরে থাকুন।


