সেবা অনুযায়ী ফি হবে বেসরকারি হাসপাতালে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

সেবা অনুযায়ী ফি হবে বেসরকারি হাসপাতালে : স্বাস্থ্যমন্ত্রী

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক বলেছেন, ‘বেসরকারি হাসপাতালে সেবার মান অনুযায়ী ফি নির্ধারণ করে দেওয়া হবে। কোথাও কোথাও দেখা যায় একটি বিশেষ পরীক্ষার জন্য ১০ হাজার টাকা অন্য জায়গায় আবার ৫০ হাজার টাকা। এই বিরাট বৈষম্য আমরা দূর করতে চাই। দরিদ্র জনগণ যাতে সঠিক চিকিৎসা পায়, তারা যেন কষ্ট না পায় সেদিকে নজর রাখতে হবে। তাদের যাতে বাড়তি মূল্য না দিতে হয়।’

আজ বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) দুপুরে সচিবালয়ে স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে তিনি এ কথা জানান।

জাহিদ মালেক বলেন, চিকিৎসাসেবার মানের ওপর হাসপাতালগুলোকে এ, বি ও সি ক্যাটাগরি করা হবে। হাসপাতালের চিকিৎসাসেবার মানের ওপর ক্যাটাগরি করা হবে। দেশের বেসরকারি খাতের পাঁচ তারা হোটেলগুলোও থাকবে ক্যাটাগরির আওতায়। যে হাসপাতালগুলো চিকিৎসা দিতে পারবে, সেটা বলে দেওয়া হবে। এর বাইরে তারা চিকিৎসা দিতে পারবে না।

মন্ত্রী বলেন, ‘স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের চেষ্টা করছি। সে বিষয়ে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। সেবার মানোন্নয়নে অনেকগুলো দিক আছে। এ ক্ষেত্রে অনেক জনবল প্রয়োজন হয়, অবকাঠামো ও যন্ত্রপাতির প্রয়োজন হয়। আমরা এখন প্রাইমারির স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নে বদ্ধপরিকর। যদি প্রাইমারির স্বাস্থ্যসেবার উন্নয়ন করতে পারি, তাহলে আমাদের স্বাস্থ্য খাতের সার্বিক চিত্র অনেকটাই পাল্টে যাবে।’

তিনি আরো বলেন, ‘যারা গ্রামে চিকিৎসা দেয়, তাদের চিকিৎসা দেওয়ার মতো কোনো শিক্ষা, যোগ্যতা বা সার্টিফিকেট নেই। তাদের আমরা চিকিৎসা দিতে দেব না। এ বিষয়ে আমরা খুব শিগগিরই পদক্ষেপ গ্রহণ করব। এ বিষয়ে কাজ করে যাচ্ছি।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যসেবার মান উন্নয়নের মাধ্যমে বিদেশে চিকিৎসা নিতে যাওয়া কমে যাবে। এখনো অনেক লোক বিদেশে চিকিৎসা গ্রহণ করে। বিদেশে চিকিৎসা নেওয়ার ফলে আমাদের কষ্টার্জিত কয়েক মিলিয়ন ডলার ব্যয় হয়ে যায়। আমরা যদি আমাদের চিকিৎসাসেবার মান আরো উন্নত করতে পারি তাহলে দেশের জনগণ সেবা গ্রহণ করতে বাইরে যাবে না এবং এ টাকাটা দেশেই থাকবে।’

প্রাইমারি হেলথ কেয়ারে সবচেয়ে বেশি যত্রতত্র অ্যান্টিবায়োটিকের ব্যবহার হয় বলে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাইমারি লেবেলে যারা স্বাস্থ্যসেবা দিয়ে থাকেন, বিশেষ করে গ্রাম ডাক্তার যারা রয়েছেন, তারা কোয়ালিফাইড না। তাদের কোনো সার্টিফিকেট বা যোগ্যতা নেই, অথচ তারা অ্যান্টিবায়োটিকও প্রেসক্রাইব করেন।’ এটি এখন থেকে আর হতে দেওয়া হবে না বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *