স্পোর্টস রিপোর্ট : সময়ের সেরা ফর্মে রয়েছেন মোহাম্মদ আশরাফুল। ঢাকা প্রিমিয়ার লিগের ১০ খেলায় চরটি সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। সর্বশেষ দুই ম্যাচে টানা সেঞ্চুরি তুলে নিয়েছেন কলাবাগান ক্রীড়া চক্রের এই টপঅর্ডার ব্যাটসম্যান।
আশরাফুলের সেঞ্চুরির জবাবে সেঞ্চুরি করেছেন অগ্রণী ব্যাংক দলের শাহারিয়ার নাফীস। সেঞ্চুরিময় ম্যাচে জয় তুলে নিয়ে রেলিগেশন থেকে মুক্তি পেল অগ্রণী ব্যাংকের দলটি। ম্যাচসেরার পুরস্কার জিতে নিয়েছেন শাহরিয়ার নাফীস।
বৃহস্পতিবার সাভার বিকেএসপির মাঠে ঢাকা লিগের রেলিগেশন ম্যাচে টসে জিতে আগে ব্যাটিংয়ে নেমে ৩৬ রানে প্রথম সারির তিন ব্যাটসম্যানের উইকেট হারিয়ে বিপদে পড়ে যায় কলাবাগান। দলের এমন কঠিন পরিস্থিতির দিনে দায়িত্বশীল ব্যাটিং করেন আশরাফুল।
তৃতীয়ে উইকেটে তাইবুর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে ১৬৩ রানের জুটি গড়ে দলকে খেলায় ফেরান জাতীয় দলের সাবেক এই অধিনায়ক। ৯৩ বলে ১০ বাউন্ডারিতে ৮২ রান করে তাইবুর ফিরে গেলেও ব্যাটিংয়ে তাণ্ডব চালিয়ে যান আশরাফুল। তার ১৩৭ বলের অপরাজিত ৮ চার ও ২ ছক্কায় গড়া ১০৩ রানে ভর করে ৬ উইকেটে ২৪৬ রান সংগ্রহ করে কলাবাগান।
টার্গেট তাড়া করতে নেমে দুর্দান্ত খেলে যান ওপেনার শাহরিয়ার নাফীস। উদ্বোধনীতে ৪৫ রান করে সাজঘরে ফেরেন সৌম্য সরকার। দ্বিতীয় উইকটে জুটিতে সালমান হোসেনকে সঙ্গে নিয়ে ১৬৩ রানের জুটি গড়েন নাফীস। ১৪২ বলে ১৩ চার ও দুই ছক্কায় ১০৯ রান করে দলকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়ে ফেরেন জাতীয় দলের সাবেক এ অধিনায়ক। সালমান ৯৩ বলে ৮৩ রান করে আউট হলে ধীমান ঘোষ দলকে জয়ের বন্দরে পৌঁছে দিয়ে ফেরেন।
নাফীস-সালমানের দায়িত্বশীলতায় ৬ উইকেটে জয়ে রেলিগেশন থেকে মুক্তি পায় অগ্রণী ব্যাংকের দলটি।
সংক্ষিপ্ত স্কোর
কলাবাগান: ৫০ ওভারে ২৪৬/৫ (আশরাফুল ১০৩, তাইবুর ৮২)।
অগ্রণী ব্যাংক: ৪৫.৫ ওভারে ২৫০/৪ রান (নাফীস ১০৯, সালমান ৮৩)।
ফল: অগ্রণী ব্যাংক ৬ উইকেটে জয়ী।
ম্যাচসেরা: শাহরিয়ান নাফীস (অগ্রণী ব্যাংক)।


