পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আমরা প্রযুক্তির ওপর এতটাই নির্ভরশীল যে সকালে ঘুম থেকে ওঠার পর থেকে রাতে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত আমরা আমাদের ফোনের স্ক্রিনে আটকে থাকি।
কিন্তু, এ লাইফস্টাইল আমাদের স্বাস্থ্যের জন্য মোটেই ভালো নয়। আমেরিকান স্ট্রোক অ্যাসোসিয়েশনের স্ট্রোক জার্নালে প্রকাশিত একটি সমীক্ষায় বলা হয়েছে যে, ৬০ বছরের কম বয়সীরা স্ক্রিনে বেশি সময় দেন এবং অনেকসময় ধরে বসে কাজ করার ফলে তাদের স্ট্রোকের প্রবণতা বেশি।
ওয়ার্ল্ড স্ট্রোক অর্গানাইজেশন (ডব্লিউএসও) এ তথ্য জানায় যে, প্রতি ৪ জনের মধ্যে ১ জন ব্যক্তি স্ট্রোকের শিকার হয়ে থাকেন।
ফোর্টিস হাসপাতালের কনসালট্যান্ট-নিউরোসার্জন ডা. উজ্জ্বল ইওলে বলেন, “স্ক্রিনের সঙ্গে স্ট্রোকের একটি যোগসূত্র রয়েছে। একটি মার্কিন গবেষণায় জানানো হয় যে ডিজিটাল স্ক্রিন সময়ের প্রতি ঘণ্টার জন্য এক মানুষের আয়ু ২২ মিনিট পর্যন্ত কমে যায়। যা স্ট্রোকসহ বিভিন্ন হৃদরোগ, ক্যান্সার ইত্যাদির প্রবণতা বাড়িয়ে তোলে।”
কিন্তু মহামারি আমাদেরকে এমন পরিস্থিতিতে ঠেলে দিয়েছে যে আমরা চাইলেও স্ক্রিনিং এর বিষয়টি এড়িয়ে যাওয়া সম্ভব নয়।
এই ধরনের জীবনধারার কারণেই একজন ব্যক্তি স্থূলতা, ডায়াবেটিস, হার্টের অবস্থা ইত্যাদি অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়ে থাকেন।
ডায়াবেটিসে আক্রান্ত ব্যক্তির স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ বেশি, কারণ ক্ষতিগ্রস্ত রক্তনালীগুলি দ্রুত স্ট্রোকের সূত্রপাত ঘটায়।
উচ্চ মাত্রায় এলডিএল (খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা) ধমনীতে বাঁধা সৃষ্টি করে, যা মস্তিষ্কের রক্ত প্রবাহকে বাঁধাগ্রস্ত করে, ফলে স্ট্রোক হতে পারে।


