হজে এবার যেসব কাজ বাধ্যতামূলক ও নিষিদ্ধ

হজে এবার যেসব কাজ বাধ্যতামূলক ও নিষিদ্ধ

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মহামারি করোনার কারণে বাধ্যতামূলক নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং কিছু কাজে কঠোর নিষেধাজ্ঞা জারির মাধ্যমে নিরাপদ হজ সম্পাদনে বদ্ধপরিকর আরব। এবারের হজে যেসব কাজে কঠোর নিষেধাজ্ঞা ও বাধ্যতামূলক নিয়ম মেনে হজ করতে হবে তা নিশ্চিত করেছে হারামাইন কর্তৃপক্ষ।

সৌদি হজ মন্ত্রণালয় ও স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কর্তৃক নির্ধারিত নিয়মে পালিত হবে এবারের হজ। প্রত্যেক হাজিকেই নিজেদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তায় জারিকৃত কাজ থেকে বাধ্যতামূলক বিরত থাকতে হবে এবং যথাযথ নিয়ম মেনে চলতে হবে।

পবিত্র নগরী মক্কায় হজ উপলক্ষে আগামী ২৮ জিলকদ (১৯ জুলাই) রোববার থেকে ১২ জিলহজ পর্যন্ত অনুমতি ছাড়া সবার প্রবেশ নিষিদ্ধ। তাছাড়া হাজিদের জন্য এবারের হজে যা নিষিদ্ধ ও মেনে চলা বাধ্যতামূলক তাহলো-

– তাওয়াফের সময় কাবা শরিফ ও হাজরে আসওয়াদ স্পর্শ করা নিষিদ্ধ।
– একই পথে প্রবেশ ও বাহির হওয়া নিষিদ্ধ। কাবা শরিফে প্রবেশ ও বাহিরের ক্ষেত্রে আলাদা আলাদা নির্ধারিত পথ অনুসরণ করা বাধ্যতামূলক।
– প্রত্যেক হাজির ব্যক্তিগত জিনিসপত্র অন্যকে দেয়া বা শেয়ার করা নিষিদ্ধ।
– প্রত্যেক হাজির জন্য মাস্ক পরা বাধ্যতামূলক।
– প্রত্যেকের সঙ্গে ১.৫ মিটার দূরত্বে অবস্থান করা বাধ্যতামূলক।
– প্রত্যেক হাজির জন্য কাবা শরিফ তাওয়াফ, সাফা-মারওয়া সাঈ, মিনায় পাথর নিক্ষেপ, আরাফা-মুজদালিফায় অবস্থানের সময় মাস্ক পরা এবং ১.৫ মিটার শারীরিক দূরত্ব বজায় রাখা বাধ্যতামূলক।
– প্রত্যেক হাজির জন্যই যে কোনো ধরনের খাবার ও পানীয় বহন করা নিষিদ্ধ। সবাইকে ফ্রি খাবার সরবরাহ করবে হজ কর্তৃপক্ষ।
– মিনায় পাথর নিক্ষেপের জন্য আরাফা-মুজদালিফা থেকে কংকর বা নুড়ি পাথর সংগ্রহ নিষিদ্ধ। সব হাজিকে ফ্রি কংকর বা নুড়ি সরবরাহ করা হবে।
– মিনায় একসঙ্গে কংকর বা নুড়ি পাথর নিক্ষেপ নিষিদ্ধ। অবশ্যই প্রত্যেক হাজিকে শারীরিক দূরত্ব বজায় রেখে কংকর নিক্ষেপ করা বাধ্যতামূলক। তা হজ কর্তৃপক্ষ যথাযথ ব্যবস্থাপনায় বাস্তবায়ন করবে।
– প্রত্যেক হাজিকে মসজিদে হারামের কার্পেটের ওপর ব্যবহারের জন্য নিজ নিজ জায়নামাজ বাধ্যতামূলক নিয়ে আসতে হবে।
– প্রত্যেক হাজির জন্য চাহিদা মতো জমজমের পানি থাকবে আর তা যথযথ নিরাপত্তার সঙ্গে সরবরাহ করা হবে।
– প্রত্যেক হাজির জন্য জীবাণুমুক্তকরণ স্প্রে ব্যবহার বাধ্যতামূলক। প্রত্যেককেই জীবাণুমুক্তকরণ প্যাকেজ তথা হ্যান্ড স্যানিটাইজার ও টিস্যু সরবরাহ করা হবে।
– মসজিদে হারাম তথা কাবা শরিফের ভেতরে কিংবা বাইরে (সব জায়গায়) সব সময় মাস্ক ব্যবহার বাধ্যতামূলক।

সর্বোপরি সতর্কতাবশত হজে অংশগ্রহণকারী, স্বেচ্ছাসেবক কিংবা পরিচ্ছন্নতাকর্মীদের মধ্যে কারো সন্দেহজনক কোনো লক্ষণ দেখা দেয়ার সঙ্গে সঙ্গে তাকে আবাসিক ব্যবস্থাপনাসহ বাধ্যতামূলক পৃথক রাখা হবে। এদের কোনো কাজে অংশগ্রহণ করতে দেয়া হবে না।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *