পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পানির নাব্যতা ও স্রোতের তীব্রতার কারণে দীর্ঘ ১৮ ঘণ্টা বন্ধ থাকার পর শিমুলিয়া-কাঁঠালবাড়ি নৌ-রুটে ফেরি চলাচল আবার শুরু হয়েছে।
বুধবার (০১ জুলাই) বিকেল ৩টা থেকে সীমিত আকারে ফেরি চলাচল শুরু হয়। এর আগে মঙ্গলবার (৩০ জুন) রাত ৯টায় এ নৌ-রুটের বিকল্প চ্যানেলের মুখে রো রো ফেরি বীর শ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর স্রোতের টানে ডুবোচরে আটকে গেলে নৌ-রুট বন্ধ হয়ে যায়। এতে ফেরিতে আটকা পড়া যাত্রীসহ ঘাটে পারাপারের অপেক্ষায় থাকা যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়।
বিআইডাব্লিউটিসির মাওয়া ঘাটস্থ এজিএম মো. শফিকুল ইসলাম জানান, উজান থেকে পানি ধেয়ে আসায় পদ্মায় এখন প্রচুর স্রোত। প্রায় ৯ নটিক্যাল মাইল বেগে ধেয়ে আসা স্রোতের সাথে প্রতিযোগিতায় টিকতে পারছে না ফেরি।
মঙ্গলবার (৩০ জুন) সকাল থেকেই সীমিত আকারে এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল করছিল। কিন্ত ২৯টি বিভিন্ন প্রকার যানবাহন নিয়ে কাঁঠালবাড়ি থেকে মাওয়া আসার পথে রাত ৯টার দিকে রো রো ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীর বিকল্প চ্যানেল দিয়ে লৌহজংয়ের পদ্মায় নামছিল। এ সময় প্রবল স্রোতের টানে ফেরিটি চ্যানেলের মুখের কাছে একটি ডুবোচরে আকটা পড়ে। ওই সময় থেকেই এ নৌ-রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়।
ফেরিটি উদ্ধারে তলব করা হয় উদ্ধারকারী জাহাজ আইটি-৯৫ ও আইটি-৯৬-কে। কিন্তু আইট-৯৬ উদ্ধারকারী জাহাজটিও আটকা পড়ে ফেরির কাছে ডুবোচরে। আর আইটি-৯৫ ডুবোচরের কারণে ফেরিটির কাছে যেতে পারছিল না। তাই উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি ফেরি বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরকে। তবে সন্ধ্যা ৬টার দিকে জোয়ারের পানিতে ফেরিটি উদ্ধারের চেষ্টা করা হবে। কিন্তু যাত্রীদের কথা বিবেচনা করে ঝুঁকি নিয়ে ৫-৬ ফেরি দিয়ে সীমিত আকারে বিকাল ৩টা থেকে ফেরি চলাচল পুনরায় শুরু করা হয়েছে। আটকে পড়া ফেরিটির পাশ দিয়ে ঝুঁকি নিয়েই চলছে সীমিত আকারে ফেরি।
বিআইডাব্লিউটিএর উপপরিচালক শাহাদাৎ হোসেন জানিয়েছেন, ফেরিতে আটকে পড়া যাত্রীদের বুধবার (০১ জুলাই) বেলা ১১টার দিকে লঞ্চে করে উদ্ধার করে শিমুলিয়া ঘাটে নামিয়ে দেওয়া হয়েছে। তারা যার যার গন্তব্যে চলে গেছে।
/এএ


