২৪ ঘণ্টায় আফগানিস্তানে ১৯৩ তালেবান সদস্য নিহত

২৪ ঘণ্টায় আফগানিস্তানে ১৯৩ তালেবান সদস্য নিহত

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আফগানিস্তানে সামরিক বাহিনীর অভিযানে জঙ্গিগোষ্ঠী তালেবানের অন্তত ১৯৩ সদস্য নিহত ও আরও শতাধিক আহত হয়েছেন। গত ২৪ ঘণ্টায় দেশটির বিভিন্ন প্রান্তে তালেবানের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে এই হতাহতের ঘটনা ঘটেছে।

রোববার (২৭ জুন) আফগানিস্তানের প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টুইটারে দেওয়া কয়েকটি বিবৃতিতে দেশটির প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় বলছে, নিরাপত্তা বাহিনীর অভিযানে তালেবানের ১৯৩ সদস্য নিহত হয়েছেন। এছাড়া অভিযানে আরও ১১০ তালেবান সদস্য আহত হয়েছেন।

এদিকে, তালেবানের মুখপাত্র জাবিহুল্লাহ মুজাহিদ এক টুইট বার্তায় বলেছেন, আফগানিস্তানের উত্তর-পূর্বাঞ্চলের তাখার, পূর্বাঞ্চলের মাইদান ওয়ার্দাক এবং উত্তরাঞ্চলের বালখ প্রদেশের বেশ কিছু এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে তালেবান।

সংঘর্ষে আফগান সরকারি বাহিনীর ৬ সৈন্য নিহত, সাতজন আহত এবং আরও ১৯০ জনকে জিম্মি করার দাবি করেছেন তালেবানের এই মুখপাত্র।

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট জো বাইডেন আগামী ১১ সেপ্টেম্বরের মধ্যে আফগানিস্তান থেকে সব মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের ঘোষণা দিয়েছেন। কিন্তু কূটনীতিকদের নিরাপত্তার স্বার্থে দেশটিতে ৬৫০ মার্কিন সৈন্য অবস্থান করবে বলে হোয়াইট হাউজ জানানোর পর হুমকি দিয়েছে তালেবান।

শনিবার (২৬ জুন) আফগানিস্তানের সশস্ত্র এই গোষ্ঠী বলছে, বাইডেনের ঘোষিত সময়ের মধ্যে সব সৈন্য প্রত্যাহার না করা হলে প্রতিক্রিয়া দেখাবে তালেবান। যুক্তরাষ্ট্র সৈন্য প্রত্যাহারের ঘোষণা দেওয়ার পর থেকে আফিগানিস্তানে আবারও তালেবানের সহিংসতা বৃদ্ধি পেয়েছে। দেশটির বিভিন্ন শহরের নিয়ন্ত্রণ ফিরে পেতে প্রায়ই নিরাপত্তা বাহিনীর সঙ্গে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ছে তালেবানের যোদ্ধারা।

রোববার (২৭ জুন) কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল-জাজিরার এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সরকারি বাহিনী এবং তালেবানের যোদ্ধাদের কয়েকদিনের সংঘর্ষে কুন্দুজের প্রায় ৫ হাজার পরিবার তাদের বাড়িঘর ছেড়ে পালিয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যম বলছে, কান্দাহার এবং বাঘলান প্রদেশে তালেবান-সরকারি বাহিনীর তীব্র লড়াই অব্যাহত আছে। তালেবানের নিয়ন্ত্রণে থাকা ভূখণ্ড উদ্ধারের দাবি করেছে আফগান সরকারি বাহিনী।

সূত্র: আনাদোলু, আলজাজিরা।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *