পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : পঞ্চগড় সদর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনের ভোটকেন্দ্রগুলোয় ভোটার উপস্থিতি কম দেখা গেছে। গতকাল সকাল সাড়ে ১০টায় পঞ্চগড় সরকারি বালিকা উচ্চবিদ্যালয় ভোটকেন্দ্রেছবি: রাজিউর রহমান
বিএনপিসহ বিরোধী দলগুলো উপজেলা পরিষদ নির্বাচন বর্জন করেছে। এবারের নির্বাচন অনেকটা আওয়ামী লীগ বনাম আওয়ামী লীগের মধ্যে সীমাবদ্ধ। ফলে উপজেলা নির্বাচনের প্রথম ধাপের ভোটের মূল বৈশিষ্ট্য হয়ে দাঁড়ায় ভোটারের খরা।
গতকাল বুধবার অনুষ্ঠিত প্রথম ধাপের উপজেলা নির্বাচনে বিচ্ছিন্ন কিছু সংঘাতের খবর পাওয়া গেছে। জাল ভোট দেওয়া, জবরদস্তি এবং ভোট কিনতে টাকা বিলানো, মন্ত্রী-সংসদ সদস্যদের প্রভাব বিস্তার—এসবের অভিযোগও ছিল।
মাদারীপুর সদর, মুন্সিগঞ্জের গজারিয়া, সুনামগঞ্জের শাল্লা, নোয়াখালীর সুবর্ণচরে কিছু কেন্দ্রে সংঘর্ষ এবং পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার খবর পাওয়া গেছে। এসব ঘটনায় বোমাবাজি, ইটপাটকেল নিক্ষেপ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও রাবার বুলেট নিক্ষেপের ঘটনাও ঘটে। ভোটে অনিয়মের অভিযোগে বগুড়ায় দুই সহকারী প্রিসাইডিং কর্মকর্তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়। এ ছাড়া ওই জেলার আরেক কেন্দ্রে প্রিসাইডিং কর্মকর্তাসহ দুজনকে আটক করা হয়।
তবে সব ছাপিয়ে সকাল থেকে ভোটারের জন্য অপেক্ষা ছিল প্রায় সর্বত্র। কেন্দ্রগুলো দিনভর প্রায় ফাঁকা ছিল। ভোটারের দীর্ঘ সারি চোখে পড়েনি। ফলে অলস সময় পার করেন ভোট গ্রহণের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা, পুলিশ ও আনসার বাহিনীর সদস্যরা।
রাত সাড়ে ১২টায় শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ১২২টি উপজেলায় চেয়ারম্যান পদে বেসরকারিভাবে বিজয়ী প্রার্থীদের নাম জানা গেছে। তাঁদের মধ্যে ১০১ জনই আওয়ামী লীগের।


