পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : আগামী বছরই মহাকাশে নভোচারী পাঠাতে চায় সৌদি আরব। এ জন্য দেশটির পক্ষ থেকে একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচির আয়োজন করা হচ্ছে। এ থেকে অন্তত একজন নারী নভোচারী পাওয়ার আশ করছে দেশটি।
বৃহস্পতিবার (২২ সেপ্টেম্বর) সৌদি আরবের স্পেস কমিশনের পক্ষ থেকে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
অর্থনীতি বৈচিত্র আনতে ও তেলের ওপর নির্ভরতা কমাতে ‘ভিশন ২০৩০’ ঘোষণা করেছেন সৌদি যুবরাজ মোহাম্মদ বিন সালমান। রক্ষণশীল সৌদী সমাজে যুবরাজের এই মহাপরিকল্পনায় নারীদের অংশগ্রহণের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। এরই অংশ হিসেবেই মহাকাশে নারী নভোচারী পাঠানোর উদ্যোগ নিয়েছে সৌদি আরব। এর আগে ২০১৮ সালে নারীদের গাড়ি চালানোর ওপর নিষেধাজ্ঞা তুলে নেওয়া হয় যুবরাজ বিন সালমামের নেতৃত্বে।
একটি বিবৃতিতে সৌদি আরবের স্পেস কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, সৌদি নভোচারী প্রোগ্রাম দেশটির ভিশন ২০৩০-এর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ।
সৌদি আরব থেকে মহাকাশে প্রথম ভ্রমণকারী ছিলেন দেশটির যুবরাজ সুলতান বিন সালমান। তিনি বিমান বাহিনীর পাইলট ছিলেন। ১৯৮৫ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ডিসকভারি মিশনের সাত সদস্যের একজন ছিলেন তিনি। পরে তিনি সৌদি স্পেস কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
একটি বিবৃতিতে সৌদি আরবের স্পেস কমিশনের পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘সৌদি নভোচারী প্রোগ্রাম’ দেশটির ভিশন ২০৩০-এর একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ। মানব সভ্যতা এগিয়ে নিতে সৌদী নভোচারী ভূমিকা রাখবে।
বিবৃতিতে বলা হয়, “এদের একজন অবশ্যই হবেন নারী, যিনি দেশের জন্য সর্বপ্রথম হওয়ার গৌরব বয়ে আনবেন।”
প্রথম মুসলিম বা আরব নভোচারী ছিলেন সৌদী যুবরাজ দেশটির যুবরাজ সুলতান বিন সালমান। তিনি বিমান বাহিনীর পাইলট ছিলেন। ১৯৮৫ সালে মার্কিন মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসার ডিসকভারি মিশনের সাত সদস্যের একজন ছিলেন তিনি। পরে তিনি সৌদি স্পেস কমিশনের প্রধান হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।
সূত্র: গালফ নিউজ



