মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮

মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত ৮মাদারীপুরে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে আহত হয়েছেন অন্তত আটজন। শুক্রবার (২৪ ফেব্রুয়ারী) বেলা ১১টার দিকে সদর উপজেলার ধুরাইল ইউনিয়নের সরদারকান্দি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।

আহত ব্যক্তিদের মধ্যে পাঁচজনের নাম পাওয়া গেছে। তাঁরা হলেন মাদারীপুর সদর উপজেলার ধুরাইল এলাকার শওকত ব্যাপারী (৪৬), রব ব্যাপারী (৭০), ইলিয়াস হোসেন (২৮), লিমা আক্তার (৩৫), আম্বিয়া বেগম (৪৫)। এঁদের মধ্যে ইলিয়াস, লিমা ও আম্বিয়াকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে সরদারকান্দি এলাকার শওকত ব্যাপারীর সঙ্গে একই এলাকার রব ব্যাপারীর জমি নিয়ে বিরোধ চলে আসছিল। আজ সকালে বিরোধপূর্ণ জমিতে শওকত তাঁর লোকজন নিয়ে দেয়াল নির্মাণ করতে যান। এতে বাধা দেন রব ও তাঁর পরিবারের লোকজন। এ নিয়ে উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়েন। এতে উভয় পক্ষের আটজন আহত হয়েছেন। আহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়।

মাদারীপুর জেলা সদর হাসপাতালের চিকিৎসা কর্মকর্তা আবু সফর হাওলাদার বলেন, আহত প্রত্যেকের শরীরের বিভিন্ন স্থানে ধারালো অস্ত্রের আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। তিনজনের অবস্থা গুরুতর। তাঁদের ঢাকা মেডিকেলে পাঠানো হয়েছে। আহত বাকি ব্যক্তিদের প্রাথমিক চিকিৎসা দিয়ে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।

সংঘর্ষে আহত শওকত ব্যাপারী বলেন, ‘আমার জায়গায় আমি দেয়াল তুলতে যাই। সেখানে আমাকে বাধা দেয়। পরে আমাদের ওপর ভাড়া করা লোক দিয়ে অতর্কিত হামলা চালায়। হামলায় আমিসহ আমার পরিবারের অনেকেই আহত হয়েছেন। আমি এ ঘটনা পুলিশকে জানিয়েছি। যারা আমার ওপর হামলা করেছে, আমি তাদের বিচার চাই।’

অভিযোগের বিষয়ে আহত রব ব্যাপারী বলেন, ‘জায়গাজমির সীমানা নির্ধারণ না করেই দেয়াল নির্মাণ করতে আসে শওকত। নিষেধ করার কারণে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে আমাদের ওপর হামলা চালায়। এ ঘটনার বিচার দাবি জানাচ্ছি।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মনোয়ার হোসেন চৌধুরী বলেন, সংঘর্ষে দুই পক্ষের লোকজনই আহত হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল ও হাসপাতাল পরিদর্শন করেছে। তবে এখন পর্যন্ত থানায় কোনো পক্ষ লিখিত অভিযোগ করেনি।

সূত্র : প্রথম আলো

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *