পাথেয় রিপোর্ট : রামপুর : বর্তমানে টিভি চ্যানেলগুলোয় তর্কবিতর্কের নামে যে অনিয়ন্ত্রিত অনিয়ম চলছে এর সমালোচনা করে বক্তারা বলেন, টকশো ঘটনার বিষয়টি গভীর দুঃখজনক ও উদ্বেগজনক। মুসলিম অতিথিরা এ জাতীয় বিতর্ক অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণ করা থেকে বিরত থাকাই ভালো।
বক্তারা টকশো অনুষ্ঠানগুলোর উপস্থাপকদের সমালোচনা করে বলেন, টিভি চ্যানেলগুলোয় বিতর্কের নামে উপস্থাপক নিজেই প্রশ্ন করে এবং নিজের মন-মর্জি অনুসারে জবাব দেয়। বিপরীত পক্ষকে বলার কোনও সুযোগই দেয় না। যদিও বা কেউ বলার চেষ্টা করে তখন তাকে বিভিন্ন কায়দায় থামিয়ে দেয়া হয়।
টকশোগুলোতে মুসলমানদের সাথে বিদ্বেষ ছড়ানোর পায়তারা হয় দাবি করে তারা বলেন, এসব অনুষ্ঠানের উদ্দেশ্য তো না কিছু জানা বা জানানো, না কোনও সত্যকে চিহ্নিত করা। বরং এসব প্রোগ্রাম বা অনুষ্ঠানগুলোয় ইসলাম ও মুসলমানদের সাথে বিদ্বেষ রাখা বিভিন্ন দল বা গোষ্ঠীরা ইসলাম এবং মুসলমানদের টার্গেট বানিয়ে তাদের অনুষ্ঠান নির্ধারণ করে রাখে। যা পুরো মিল্লাতে ইসলামিয়ার নিদর্শনকে নিঃশেষ করার অব্যাহত চেষ্টারই নামান্তর।
বক্তারা বলেন, ইসলাম সারা বিশ্বব্যাপী শান্তি ও সর্বপ্রকার প্রয়োজনে মীমাংসাকারী এক ধর্ম। ইবাদাত, আচার-ব্যবহার, লেনদেন, ব্যক্তিগত ও সামাজিক প্রয়োজন পূরণেও ইসলামের চেয়ে মহত্তর কোনও ধর্মমত নেই।
তারা বলেন, শরীয়তের সব কার্যাদিই কোনওরকম সন্দেহ ও চিন্তার সামান্য অবকাশ থেকে মুক্ত। সব সঙ্কটাবস্থাতেই ইসলাম তার শিক্ষা নিয়ে উপস্থিত হয়। এ কারণেই ইসলাম ধর্ম যেখানেই তার শুদ্ধির পরিচয় তুলে ধরেছে সেখানেই অন্যরা তাদের পূর্ণ পরিচয় দিতে সক্ষম হয়েছে। ভারতের জামিয়াতুল মাআরিফ টাণ্ডা মাদরাসায়, ‘ইসলাহি মুআশারা’ কমিটির উদ্যোগে আয়োজিত সভায় উল্লেখিত বিষয়গুলো নিয়ে আমন্ত্রিত অতিথিবৃন্দ বিশেষ আলোচনা করেন।
উল্লেখ্য, অতীতে হিন্দুস্থানের অধিবাসীদের সামনে আসা যে সব লজ্জাস্কর ঘটনা হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকদের অন্তরে দুঃখ দিয়েছে, সেখানেই মিল্লাতে ইসলামিয়াকে বুঝেশুনে এবং ভবিষ্যৎ চিন্তা করে কর্মপদ্ধতি নির্ণয় করতে অপারগ করেছে।
অনুবাদ ও গ্রন্থনা : কাউসার মাহমুদ
সূত্র: হিন্দুস্থান এক্সপ্রেস
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির


