নিজস্ব প্রতিবেদক ● রাজধানীর খিলগাঁওয়ে জামিআ ইকরা বাংলাদেশের প্রায় অর্ধশত দাওরায়ে হাদিস ও হিফজ বিভাগের শিক্ষার্থী শাইখুল হিন্দ হযরত হোসাইন আহমদ মাদানীর রহ.-এর নাতি আওলাদে রাসূল জমিয়তে উলামা হিন্দের সেক্রেটারী জেনারেল হযরত সাইয়্যিদ মাহমুদ মাদানীর হাতে সম্মানসূচক পাগড়ি পেয়েছেন।শিক্ষার্থীদের মধ্যে খুশির জোয়ার দেখা যায় মাওলানা মাদানীকে পেয়ে। খুবই অল্প সময়ের সফরে এসেছেন বলেই একটু সময়ও হয়নি আলোচনার। তবে হাজার হাজার আলেম উলামা তাঁর বয়ান শোনার জন্য হাজির হয়েছিলেন। সংক্ষিপ্ত দুআয় আওলাদের রাসূলের সঙ্গে হাত তুলতে পেরে অনেকেই নিজেকে ধন্য মনে করেছেন।
সারা দিন ধরেই মাওলানা মাদানির আগমনকে কেন্দ্র করে পুরো জামিআ ইকরা ছিল সাজ সাজ রব। এবারের ফারেগীনদের আত্মীয়স্বজন, বন্ধুবান্ধব ও বাইরের মেহমানদের পদভারে ছিল মুখরিত।
পাগড়িপ্রদানের সময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আবদুল মতিন, মাওলানা আসআদ আল হুসাইনী, মাওলানা আরীফ উদ্দীন মারুফ, মাওলানা হুসাইন আহমদ প্রমুখ।

পাগড়ি প্রদানের আগে আগে বুখারী শরীফের শেষ দারস প্রদান করেন জামিআ ইকরা বাংলাদেশের মহাপরিচালক আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। তিনি বুখারী শরীফের শেষ হাদিসে ওজন বিষয়ে আলোচনার মৌলিক তাৎপর্যের কথা উল্লেখ করেন। বলেন, বুখারীর শুরুতেই নিয়তের কথা বলা হয়েছে। কারণ জীবনের সর্বক্ষেত্রে নিয়ত অগ্রগণ্য। নিয়তের উপরই নির্ভর করে আমলের ক্ষেত্রে কী পরিমাপ যুক্ত হবে। কখনো অল্প আমলও নিয়তের কারণে অনেক ওজনদার হয়ে যায়। আবার অনেক বড় আমলও নষ্ট হয়ে যায় নিয়তের কারণে। নিয়তের হাদিস প্রথমে এনে আমলের গুণাগুণ বৃদ্ধির প্রতি ইশারা করেছেন।
এ ছাড়াও আলোচনা রাখেন, মাওলানা ইমদাদুল্লাহ কাসেমী, মাওলানা আইয়ুব আনসারী। বাদ আসর বিভিন্ন প্রতিযোগিতায় শিক্ষার্থীদের মধ্যে পুরস্কার প্রদান করা হয়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন, মাওলানা আবদুর রহীম কাসেমী, মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন, মাওলানা শফিকুল ইসলাম প্রমুখ।


