‘কেরালায় ক্ষতিগ্রস্ত মক্তব নির্মাণ মুসলমানদের প্রথম দায়িত্ব’

‘কেরালায় ক্ষতিগ্রস্ত মক্তব নির্মাণ মুসলমানদের প্রথম দায়িত্ব’

পাথেয় টোয়েন্টিফোর ডটকম : কেরালার বন্যার্ত ক্ষতিগ্রস্তদের ঘরবাড়ি ও শিশুদের শিক্ষাগ্রহণের জন্যে প্রাথমিক মক্তবগুলো নির্মাণ করে দেয়া ভারতে মুসলমানদের দায়িত্ব বলে অভিমত ব্যক্ত করেছেন জমিয়তে উলামা মুত্তাহিদা পাঞ্জাবের সহসভাপতি মাওলানা মোহাম্মদ হারুন কাসিমী। তিনি বলেন, ভারতের কেরালা রাজ্যের মানুষজন ভয়াবহ বন্যায় বিপর্যস্ত। বন্যায় ঘরবাড়ি মক্তব বিলিন হয়ে যাওয়া কারণে এখন তাদের শিশুরা ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে।

হারুন কাসিমী বলেন, শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মক্তবে দেয়া শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। কেরালায় শিশুরা যেন আদব-আখলাক ও ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সে জন্যে দ্রুত জমিয়তের পক্ষ থেকে মক্তব নির্মাণ করে দেয়া উচিৎ। আর কেরালার বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাওয়া মানুষের জন্য স্থায়ী কোন বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার কথাও বলেন তিনি।

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৮ সোমবার পাঞ্জাবে জমিয়তে উলামা মুত্তাহিদা কমিটি ও নেতৃবৃন্দদের নিয়ে একটি আলোচনা অনুষ্ঠানে মাওলানা হারুন কাসিমী এসব কথা বলেন।

অনুষ্ঠানে মাওলানা মোহাম্মদ আজমল কাসিমী কেরালায় ক্ষতিগ্রস্ত বন্যার্তদের যে পরিমাণ সাহায্য করা হয়েছে তার একটি তালিকা পেশ করেন এবং বলেন, কেরালায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য সহযোগিতা করা এখন আমাদের সবচে বড় মৌলিক কাজ ও দায়িত্ব।

জমিয়তে উলামা মুক্তাহ্দা’এর প্রধান মাওলানা মোহাম্মদ ইলিয়াস কাসিমী আলোচনা অনুষ্ঠানে সংগঠনের বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন।

সোমবার ভারতে ডেইলি হামারা সমাজের প্রকাশিত সংবাদে এসব খবর জানা যায়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাওলানা কারী খুরশেদ আলম, মাওলানা মোহাম্মদ আজমল কাসিমী, মাওলানা মুমতাজ আহমদ কাসিমী, মাওলানা শাকিল আহমদ কাসিমী, মাওলানা মোহাম্মদ ইমরান, মাওলানা আরিফ কাসিমী, কারী নেসার আহমদ, মাওলানা মোহাম্মদ আসগার কাসিমী, হাফিজ আহমদ আলী, মাওলানা নজরুল হক, মাওলানা আকমাল কাসিমী, কারী শারাফত, মাওলানা আব্দুল বারী প্রমুখ।

জমিয়তে উলামা মুত্তাহিদার আলোচনা সভা অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন শরীফ থেকে তেলাওয়াত করেন কারী নেসার আহমদ, নাত পরিবেশন করেন মোহাম্মদ সাহিল আহমদ। অনুষ্ঠান শেষে দুআ পরিচালনা করেন মাওলানা মোহাম্মদ হারুন কাসিমী।

শিশুদের প্রাথমিক শিক্ষার ক্ষেত্রে মক্তবে দেয়া শিক্ষার কোন বিকল্প নেই। কেরালায় শিশুরা যেন আদব-আখলাক ও ধর্মীয় শিক্ষা গ্রহণ করতে পারে, সে জন্যে দ্রুত জমিয়তের পক্ষ থেকে মক্তব নির্মাণ করে দেয়া উচিৎ। আর কেরালার বাড়িঘর বিলীন হয়ে যাওয়া মানুষের জন্য স্থায়ী কোন বাসস্থানের ব্যবস্থা করে দেয়ার কথাও বলেন তিনি।


অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ
সূত্র : ডেইলি হামারা সমাজ, দিল্লি
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *