‘জ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলমানগণ সবসময় অগ্রসর ছিল’

‘জ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলমানগণ সবসময় অগ্রসর ছিল’

পাথেয় টোয়েন্টিফর ডটকম : জ্ঞান-বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে মুসলমানগণ সবসময় অগ্রসর ছিল বলে মন্তব্য করেছেন জমিয়তে উলামা হিন্দের কোষাধ্যক্ষ খাদেমুল হুজ্জাজ ও অল ইন্ডিয়া ইকতিসাদি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান মাওলানা হাসিব সিদ্দিকী। তিনি বলেছেন, জ্ঞান-বিজ্ঞানের এমন কোনো শাখা নেই, যেখানে মুসলিমদের পারদর্শিতা ছিল না। ইসলামের প্রথম নির্দেশই ছিল ‘ইকরা’। ইকরা মানে পড়ুন, পাঠ করুন, উপলব্ধি করুন।

শিক্ষার মাধ্যমের প্রত্যেকটা জাতি উন্নতি লাভ করে মন্তব্য করে অল ইন্ডিয়া ইকতিসাদি কাউন্সিলের চেয়ারম্যান বলেন, পৃথিবীতে যতধরনের জ্ঞান-বিজ্ঞান প্রচলিত আছে। সবধরনের জ্ঞান-বিজ্ঞানের মধ্যেই উপকারী বিষয় আছে। তবে দ্বীনি শিক্ষা ও ইসলামী শিক্ষার বিকল্প কোন জ্ঞান-বিজ্ঞান নেই। ইসলামী জ্ঞান, কুরআন মাজীদ ও হাদিস শরীফের জ্ঞান সব জ্ঞানের মূল। কোন জ্ঞানই পূর্ণতা পায় না কুরআন ও হাদিসের জ্ঞান ছাড়া।

১৩ নভেম্বর মঙ্গলবার কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান প্রসঙ্গে কথা বলতে গিয়ে জমিয়তে উলামা হিন্দের কোষাধ্যক্ষ মাওলানা হাসিব সিদ্দিকী তার বাসভবনে সাংবাদিকদের সামনে এসব কথা বলেন।

আল্লাহর পরিচয় জানা ও তাঁর সন্তুষ্টি অর্জনের লক্ষ্যে জ্ঞানার্জন করবে উল্লেখ করে মাওলানা হাসিব সিদ্দিকী বলেন, জ্ঞান অর্জনের ক্ষেত্রে নিয়ত সবসময় বিশুদ্ধ রাখতে হবে। একমাত্র আল্লাহর সন্তুষ্টি ও মানুষের উপকার করার জন্যে জ্ঞান অর্জন করবে।

মাওলানা হাসিব সিদ্দিকী বলেন, জাগতিক জ্ঞান-বিজ্ঞান মৌলিকভাবে অনৈসলামিক নয়। পার্থিব জীবনযাত্রার প্রয়োজনীয় ও কল্যাণকর জ্ঞান অর্জন ইসলামী দৃষ্টিকোণ থেকেও কাম্য। তবে কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান সর্বোত্তম। রাসূলুল্লাহ্ সাল্লাল্লাহু আ’লাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন- ‘তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম ওই ব্যক্তি, যে কুরআন মাজিদ শিক্ষা করে এবং শিক্ষা দেয়।

সোমবার ভারতেই ডেইলি হামারা সমাজে হাসিব সিদ্দিকীর এই বক্তব্য তুলে ধরা হয়।

তিনি বলেন, মানুষের জীবনে সুন্দর হয় শিক্ষা অর্জেনের মাধ্যমে। শিক্ষিত মানুষের মর্যাদা দুনিয়াতেও আছে, আখেরাতেও আছে। কুরআন ও হাদীসের জ্ঞান অর্জেন করে সেই অনুযায়ী আমল করলে সহজেই জান্নাত যাওয়া সম্ভব।

কিছুদিন আগে মাওলানা হাসিব সিদ্দিকী গণমাধ্যমে দেয়া আরো একটি সাক্ষাৎকারে বলেছেন, চিকিৎসা পেশা আমাদের সমাজে খুবই সম্মানজনক একটা পেশা। তাই এই সম্মানজনক পেশার মূল্য দিবেন ডাক্তাররা। কখনো টাকার জন্যে ডাক্তারি করবেন না। মানুষকে ভালোবেসে মানবতার সেবার জন্যে চিকিৎসা করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করবেন। তিনি বলেছিলেন, চিকিৎসকের একটি সুন্দর হাসি, হাস্যোজ্জ্বলভাবে কথা বলা রোগীদের জন্যে শিফা এবং রোগীদের অর্ধেক অসুখ কমিয়ে দেয়।

অনুবাদ ও গ্রন্থনা : আদিল মাহমুদ
সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির
সূত্র : ডেইলি হামারা সমাজ, দিল্লী

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *