শনিবার সকালে জমিয়তুল উলামার প্রশিক্ষণ কর্মশালা

শনিবার সকালে জমিয়তুল উলামার প্রশিক্ষণ কর্মশালা

পাথেয় রিপোর্ট : বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর উদ্যোগে রাজধানীর খিলগাঁওয়ের ইকরা বাংলাদেশ মিলনায়তনে প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথির গুরুত্বপূর্ণ বক্তৃতা করবেন বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা, বেফাকুল মাদারিসিদ্দীনিয়া বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও ঐতিহাসিক শোলাকিয়ার গ্র্যান্ড ইমাম শাইখুল হাদিস আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ। এ ছাড়াও দেশের শীর্ষ আলেমগণ এতে উপস্থিত থাকবেন।

শুক্রবার বিকালে বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর কেন্দ্রীয় অফিস গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানা যায়।

বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা ঢাকা মহানগরীর সাধারণ সম্পাদক ও ইকরা বাংলাদেশের প্রিন্সিপাল মাওলানা সদরুদ্দীন মাকনুন জানান, ইনশাআল্লাহ আগামী ১৭ নভেম্বর শনিবার জমিয়তুল উলামার গুরুত্বপূর্ণ প্রশিক্ষণ কর্মশালা অনুষ্ঠিত হবে। এতে জমিয়তের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত থাকবেন।

বৈঠকে কী কী আলোচনা হবে জানতে চাইলে মাওলানা মাকনুন বলেন, এটা নিছকই একটি প্রশিক্ষণ কর্মশালা। এতে বেশ কয়েকটি বিষয়ের উপর আলোচনা হবে।
বিশেষত ঢাকা মহানগরীর সংগঠনের দায়িত্বশীলদের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, আপনারা আসুন। সামাজিকভাবে কাজ করতে চাইলে আমাদের কাজ বুঝে নিতে হবে। রাজনীতির চেয়ে সামাজিক কাজ বেশী জরুরি।

প্রসঙ্গত, ১১ আগস্ট ১৬ বৃহস্পতিবার সকালে ঐতিহাসিক শোলাকিয়া ঈদগাঁর গ্র্যান্ড ইমাম আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদ -এর তত্ত্বাবধানে সংগৃহিত একলাখ মুফতি, উলামা ও আইম্মার দস্তখত সম্বলিত সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদবিরোধী মানব কল্যাণে শান্তির ফতওয়া গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ-এর মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর হাতে অর্পণ উপলক্ষে ‘ইসলামের দৃষ্টিতে সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ এবং আমাদের করণীয়’ শীর্ষক বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামা আয়োজিত উলামা সম্মেলনে একদম কোমায় চলে যওয়া মৃতপ্রায় স্বীকৃতির কথা তুলে ধরেছিলেন আল্লামা মাসঊদ। সেসময় যারা এগিয়ে আসবেন তাদের নিয়েই কওমী মাদরাসার সনদের স্বীকৃতি দেওয়ার আশ্বাসের কথা জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছিলেন, কওমী মাদরাসার স্বীকৃতি দেওয়ার জন্যই আমরা কওমী মাদরাসা শিক্ষা কমিশন গঠন করেছিলাম।

সম্মেলনে আল্লামা ফরীদ উদ্দীন মাসঊদের দাবির প্রেক্ষিতে কওমী মাদরাসা সনদ দেয়ার উদ্যোগ বাস্তবায়ন সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী বলেন, সনদ দিতে হলে ন্যূনতম একটা কারিকুলাম দরকার। আমরা কওমী মাদরাসা কমিশন গঠন করে দিয়েছি। কিন্তু কওমী মাদ্রাসার পাঁচটি বোর্ড একমত হতে পারেনি। সবাই একমত হোন অথবা যারা আগ্রহী তারা একমত হোন, আমরা বাস্তবায়ন শুরু করে দেবো।

উল্লেখ্য, বাংলাদেশ জমিয়তুল উলামার প্রত্যেক সদস্যকে নিজের বুকে এই শক্তি ধারণ করতে হবে যে, জমিয়তুল উলামা কাগজে কলমে কোনো সংগঠন। এ সংগঠন সফল। কাজ বাস্তবায়ন করে পথ দেখানো একটি সংগঠন। জঙ্গিবাদবিরোধী, শিক্ষাসনদ বাস্তবায়নে যেমন কাজ করেছে প্রতিটি ক্ষেত্রে এভাবে জনগণের পাশে দাঁড়াবে।

সম্পাদনা : মাসউদুল কাদির

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *