পাথেয় রিপোর্ট : সরকার নিরপেক্ষ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে মন্তব্য করে ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন বলেছেন, জাতীয় ঐক্যফ্রন্ট নির্বাচনে অংশ নেয়ায় অনিশ্চয়তায় পড়েছে সরকার। এজন্য নিরপেক্ষ নির্বাচন বানচালের ষড়যন্ত্র করছে। তাই সবাইকে ভোটকেন্দ্র পাহারা দিতে হবে।
৫ ডিসেম্বর বুধবার বিকেলে ঐক্যফ্রন্টের নতুন কার্যালয়ের উদ্বোধন শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা ড. কামাল হোসেন।
ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা বলেন, জনগণ নির্বাচনের পক্ষে রয়েছে। তারা যেন স্বাধীনভাবে তাদের পছন্দের প্রার্থীকে ভোট দিতে পারে সেদিকে সবার লক্ষ্য রাখতে হবে। সরকার ভেবেছিল ২০১৪ সালের মতো আরেকটি নির্বাচন করবে। কিন্তু নির্বাচনে সব দল আসাই তারা অনিশ্চয়তায় পড়েছে।
জাতীয় ঐক্যফ্রন্টের প্রধান নেতা আশা প্রকাশ করে বলেন, এই নির্বাচনে জনগণ তাদের মালিকানা ফিরিয়ে নেবে। আইন লঙ্ঘনের ঘটনা দেখলে মিডিয়া বড় ভূমিকা রাখবে। সরকারের কার্যক্রম মিডিয়া নজরে রাখবে। সরকারের লোকজন পক্ষপাত করলে মিডিয়া তা ধরিয়ে দেবে। তিনি বলেন, একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন দেশের জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। এই নির্বাচন সুষ্ঠু হলে জনগণের মালিকানা দেশ ফিরে পাবে। জনগণ তাদের মালিকানা থেকে বঞ্চিত। নির্বাচন সুষ্ঠু করতে জনগণকে পাহারাদার হতে হবে।
আগামী ৮ ডিসেম্বরের মধ্যে বিএনপি-ঐক্যফ্রন্টের যৌথ ইশতেহার ঘোষণা করা হবে বলে জানিয়েছেন ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা ড. কামাল হোসেন। ড. কামাল হোসেন বলেন, ১৪ সালে যেনতেন নির্বাচন করে আওয়ামী লীগ ৫ বছর ক্ষমতা ভোগ করেছে। কথা ছিল মধ্যবর্তী নির্বাচনের। কিন্তু তা তারা দেয়নি। তিনি বলেন, নির্বাচনী আইন লঙ্ঘন হচ্ছে। পুলিশ এসে বিরোধী প্রার্থীকে ধরে নিয়ে যাচ্ছে। ভোট চুরি ও নির্বাচনী আইন গণমাধ্যমকে জাতির সামনে তুলে ধরতে হবে।
ঐক্যফ্রন্টের শীর্ষ নেতা আরো বলেন, সাংবাদিকরাও অবাধ নির্বাচনের পাহারাদার হিসেবে ভূমিকা রাখতে পারেন। যখনই আমরা নির্বাচনে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিলাম, তখন থেকেই আওয়ামী লীগ অনিশ্চয়তার মধ্যে পড়ে যায়।
এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন জেএসডি সভাপতি আ স ম আব্দুর রব, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান বরকত উল্লাহ বুলু, নাগরিক ঐক্যের আহ্বায়ক মাহমুদুর রহমান মান্না, ডাকসুর সাবেক ভিপি সুলতান মোহাম্মদ মনসুর, গণফোরামের কার্যকরী সভাপতি সুব্রত চৌধুরী, সাধারণ সম্পাদক মোস্তফা মহসীন মন্টু, কূটনৈতিকবিষয়ক সম্পাদক আব্দুল হাসিব চৌধুরী ও অর্থনীতিবিদ ড. রেজা কিবরিয়া প্রমুখ।


