পাথেয় রিপোর্ট : আমাকে মারার জন্য ২১ আগস্ট গ্রেনেড হামলা করা হয়। বারবার মৃত্যুর মুখোমুখি হয়েছি, মৃত্যুকে ভয় করিনি বলে মন্তব্য করেছেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তিনি বলেন, আমি কখনো ষড়যন্ত্রকে ভয় করিনি। আমার নিজের আত্মবিশ্বাস ছিল। আমার বাবার মতো বাংলার মানুষের জন্য কাজ করছি। আমার লক্ষ্য ছিল বাংলার মানুষের জন্য স্বাধীনতার সুফল নিশ্চিত করা। এ কারণে যতই ষড়যন্ত্র হোক আমি ভয় পাই না।
১২ ডিসেম্বর বুধবার কোটালীপাড়ায় শেখ লুৎফর রহমান আদর্শ সরকারি কলেজ মাঠে আয়োজিত জনসভায় আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এসব কথা বলেন।
শেখ হাসিনা বলেন, আমাকে মারার জন্য কোটালীপাড়ায় বোমা পুঁতে রাখা হয়েছিল। যে বোমা পুঁতেছিল সেও কোটালীপাড়ার সন্তান। কিন্তু যে বোমা খুঁজে পেয়েছিল সেও একজন চায়ের দোকানদার। আমি ওই সময় প্রাণে বেঁচে গিয়েছি। সে চা দোকানদার বোমা উদ্ধার করেছিল আমি তার প্রতি কৃতজ্ঞতা জানাই।
এর আগে বুধবার বিকেল ৪টার দিকে শেখ হাসিনা জনসমাবেশ স্থলে আসেন। এদিন আনুষ্ঠানিকভাবে আওয়ামী লীগের জনসংযোগ শুরু হওয়ার পর এটিই সংগঠনের সভাপতি শেখ হাসিনার প্রথম জনসভা। জনসভায় সভাপতিত্ব করছেন কোটালীপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি সুভাষ চন্দ্র জয়ধর। সভা পরিচালনা করছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক শেখ আয়নাল হোসেন।
এর আগে প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনা বেলা ২টা ১০ মিনিটে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের সমাধিতে পুস্পস্তবক অর্পন করেন এবং ফাতেহা পাঠ ও বিশেষ মোনাজাত করেন। জানা যায়, ১২ ডিসেম্বর বুধবার দুপুরে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় এসে পৌঁছেছেন। তিনি দুপুর ১টায় ঢাকা থেকে সড়ক পথে টুঙ্গিপাড়ায় এসে পৌঁছান।
এসময় ছোট বোন শেখ রেহানা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের সভাপতি মণ্ডলীর সদস্য শেখ ফজলুল করিম সেলিম, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর কবির নানক, আব্দুর রহমান, সাংগঠনিক সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দীন নাছিম, বিএম মোজাম্মেল হক, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিষয়ক সম্পাদক প্রকৌশলী আবদুস সবুর, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ বিষয়ক সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী, যুবলীগের চেয়ারম্যান ওমর ফারুক চৌধুরী, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের ধর্ম বিষয়ক সম্পাদক শেখ মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এমদাদুল হক চেধুরী, সাধারণ সম্পাদক মাহবুব আলী খান, টুঙ্গিপাড়া উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ আব্দুল হালিম, সাধারণ সম্পাদক আবুল বসার খায়ের, খুলনা-০২ আসনের আওয়ামী লীগের প্রার্থী শেখ জুয়েল প্রমূখ উপস্থিত ছিলেন।


